ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়া টেলিকম ভবনের সামনে ময়লার ভাগার

 

লোহাগাড়া আমিরাবাদ আলোরঘাট রোডের একটু ভিতরে লোহাগাড়া টেলিকম ভবনের সামনে প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে শত শত মানুষ যাতায়াত করে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লার ভাগার এখন আশপাশের শতাধিক দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীর জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কসংলগ্ন এই বাণিজ্যিক এলাকায় ছড়ানো তীব্র দুর্গন্ধে প্রতিদিনই দুর্বিষহ সময় পার করছেন তারা।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এলাকায় উৎপন্ন সব ধরনের বর্জ্য—দোকানের আবর্জনা থেকে শুরু করে মৃত কুকুর, মুরগি ও পচা সবজি—এখানেই ফেলা হচ্ছে। নিয়মিত ময়লা অপসারণ না করায় গত দুই মাসে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। তীব্র গরমে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতারা দোকানে প্রবেশ করতে অনীহা দেখাচ্ছেন। এতে বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বাধ্য হয়ে কেউ আংশিক দোকান খুলে, কেউবা সীমিতভাবে ব্যবসা চালাচ্ছেন।

পানের দোকানদার কাইচার সহ একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বারবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

স্থানীয়দের মতে, শুধু ব্যবসা নয়, এই পরিস্থিতি এখন জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে।

নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকা এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের অভাবেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবায়ন হয়নি বলে তিনি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

লোহাগাড়া টেলিকম ভবনের সামনে ময়লার ভাগার

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

লোহাগাড়া আমিরাবাদ আলোরঘাট রোডের একটু ভিতরে লোহাগাড়া টেলিকম ভবনের সামনে প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে শত শত মানুষ যাতায়াত করে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লার ভাগার এখন আশপাশের শতাধিক দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীর জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কসংলগ্ন এই বাণিজ্যিক এলাকায় ছড়ানো তীব্র দুর্গন্ধে প্রতিদিনই দুর্বিষহ সময় পার করছেন তারা।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এলাকায় উৎপন্ন সব ধরনের বর্জ্য—দোকানের আবর্জনা থেকে শুরু করে মৃত কুকুর, মুরগি ও পচা সবজি—এখানেই ফেলা হচ্ছে। নিয়মিত ময়লা অপসারণ না করায় গত দুই মাসে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। তীব্র গরমে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতারা দোকানে প্রবেশ করতে অনীহা দেখাচ্ছেন। এতে বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বাধ্য হয়ে কেউ আংশিক দোকান খুলে, কেউবা সীমিতভাবে ব্যবসা চালাচ্ছেন।

পানের দোকানদার কাইচার সহ একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বারবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

স্থানীয়দের মতে, শুধু ব্যবসা নয়, এই পরিস্থিতি এখন জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে।

নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকা এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের অভাবেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবায়ন হয়নি বলে তিনি জানান।