চরম্বা, মাইজবিলা গ্রামের বাসিন্দা মিনহাজ উদ্দিন(২৪) পিতা-মৃত সিরাজুল ইসলাম আজ সকালে ঘাড় ও মাথা ব্যথা নিয়ে লোহাগাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার জন্যে যান।রোগীর সাথে থাকা মিনহাজের বড় বোন রাশেদা বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন,ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসা করাতে আর বাড়িতে আনি লাশ।তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কোন চিকিৎসকই ছিলো না।তাই বাধ্য হয়ে বহিঃবিভাগ থেকে টিকেট নিয়ে লাইনে দাঁড়ায় চিকিৎসার জন্যে।বহিঃবিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক একটি প্রেসক্রিপসন হাতে তুলে দেন কোন ধরনের ডাইগোনোসিস ছাড়া। প্রেসক্রিপসান হাতে পেয়ে ভাই-বোন অটো রিকশা করে ঔষধ কেনার জন্যে পদুয়া বাজারে যাওয়ার পথে রিকশাতে ঢলে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে আবার মিনহাজকে পদুয়া হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।কিন্তু দুঃখের বিষয়,মিনহাজ আর বেঁচে নেই।এবার জরুরী বিভাগের একজন চিকিৎসক রাশেদার হাতে প্রথমে একটা ব্যবস্থাপত্র আবার পরক্ষণে আর একটি ” A case of brought dead.” নামে একটি কাগজ ধরিয়ে দেয়।এখন আসি,একজন ২৪ বছরের যুবক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে অকালে যে মারা গেল এর দায়ভার কে নেবে?এর দায়ভার রাষ্ট্র তথা সরকার কী এড়িয়ে যেতে পারবে?মোটেই না।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের কাজ কী?আমার জানা মতে,লোহাগাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সুবিধা নেই বললেই চলে।রোগী নিলেই লিখে দেয় Reffer to cmc। এই অভ্যাসটা তাদের দীর্ঘদিনের।এই প্রবণতার কারণ–রোগীদের ক্লিনিকমুখী করা।ব্যবস্থা না নিলেই আরও কত মিনহাজ অকালে চলে যাবে এ দুনিয়া ছেড়ে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু।
-
মোহাং ইসলাম মিঞা স্টাফ রিপোর্টার - আপডেট সময় : ০৬:১২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
- 148
জনপ্রিয় সংবাদ




















