লামা উপজেলার ৫ নং সরই ইউনিয়নের রহমতখোলা গ্রামের পাহাড়ি জনপদের রাজনীতিতে, সমাজ ব্যবস্থায়, মানবতায় এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের নাম গফুর ম্যনাজার। উনার নাম আব্দুল গফুর, পিতা: আছাল উদ্দিন, মাতা: জহুরা বেগম।
একটি নাম, একটি ইতিহাস। যা অনুকরণীয় ও আনুসসরণীয় হয়ে রয়েছেন। বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ৫ নং সরই ইউনিয়নের রহমতখোলা গ্রামের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের পাতা উল্টালে যাদের নাম পাওয়া যায় তার মধ্যে উনার নাম গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়। স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি শুধু একজন নভেল্টি রাবার বাগানের ম্যনাজার নন, তিনি একজন অভিভাবক, একজন জননেতা, একজন জনদরদী, একজন দানবীর ব্যক্তিত্ব।
একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে ১৯৯১ ইং সালে প্রথম নভেল্টি রাবার কোং এর ম্যানাজার হিসাবে তিনি অত্র এলাকায় পদার্পণ করেন। তিনি তার চাকরিগত দায়িত্ব অত্যন্ত সততা ও সুনামের সহিত পালনের পাশাপাশি নিজের কর্ম, যোগ্যতা ও মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে ধীরে ধীরে রহমতখোলা এলাকায় তথা সরই ইউনিয়নে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করেন। মানুষের পাশে থাকা এবং সমস্যার সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মানসিকতা তাঁর ব্যক্তিত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল। যার ফলে তিনি সকালের শ্রদ্ধার পাত্রে পরিণত হয়ে রয়েছেন। সেই সাথে সকলের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন।
বলছি বিগত ২০/০৬/২০২৬ ইং তারিখে রহমতখোলার বাসুরি পাড়ায় অবস্থিত ইসরায়েলী বৈশিষ্ট্য এর অধিকারী কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কর্তৃক গ্রামের আমজনতার মধ্যমনি গফুর ম্যানেজার এর উপর অতর্কিত হামলা। এটি অত্র এলাকায় ঘটে যাওয়া সর্বকালের একটি ন্যক্যারজনক ঘটনা যা ইতিপূর্বে কখনও ঘটেনি।
১৯৯৮ সালে ততথাকথিত নাস্তিক্যবাদী গুরুজী শব্দের সাইনবোর্ড নিয়ে লামা রাবারের পরিচালক মো: কামাল উদ্দীনের দয়ায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন নাম দিয়ে যাত্রা শুরু করে ন
ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বান্দরবান (প্রতিনিধি) 



















