সিলেটের জৈন্তাপুরে এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার একমাত্র এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি জসিম উদ্দিন (৩৫)কে ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯।
রবিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ২০ মিনিটে সিলেট মহানগরের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন চন্ডিপুল গোলচত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে জৈন্তাপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুর মা মরিয়ম বেগমের দায়ের করা মামলার পর থেকেই আসামিকে গ্রেফতারে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পলাতক আসামি জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাড়ির বাইরে পানি আনতে গেলে দুই মেয়েকে ঘরে রেখে যান। এ সময় পূর্বপরিচিত জসিম উদ্দিন বাড়িতে গিয়ে বড় মেয়েকে তার মাকে ডেকে আনতে বাইরে পাঠিয়ে দেয়। এরপর ঘরে একা থাকা ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে আসামি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীর মা জৈন্তাপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতার হওয়া আসামি জসিম উদ্দিন (৩৫) জৈন্তাপুর উপজেলার ছৈলাখেল গ্রামের মৃত আব্দুল মালিক বলনের ছেলে।
এ বিষয়ে র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “শিশু ধর্ষণচেষ্টার মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত আসামিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পলাতক একমাত্র আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
রুবেল আহমদ, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: 



















