ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোগ ব্যধিতে ডালিম /বেদানার ব্যবহার

ডালিম বা বেদানার রস সুস্বাদু শরীরে বল বাঁড়ায়।বেদানার রস মেধা বৃদ্ধি করে, পিপাসা মিটাই। বেদানা বায়ু, পিত্ত, কফ নাশক।শরীর ঠান্ডা রাখে, রাতে জ্বর হলে বেদানার রস পান করলে শরীরে তাপ কমে, হৃদরোগ রোগীরা মাঝে মাঝে বেদানা খেলে উপকার পাওয়া যায়। বেদানার রসের সাথে অল্প পরিমাণে ঘৃতকুমারী অথবা এলোভেরা শাঁস মিশিয়ে খেলে হৃদ রোগীদের শরীর ভালো থাকে। ডালিম গাছের ছাল সিদ্ধ করে সেই পানি পান করলে আমাশয় ভালো হয়। ছোটদের লিভার বড় হলে ডালিম গাছের শেকড় শুকিয়ে গুরু করে অল্পমাত্রায় দুধ ও দুই এক চামুচ মধু মিশিয়ে পান করলে লিভার স্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়।

সহজ প্রাপ্য ডালিম বেদানা ফল
………………………………..
গ্রাম গঞ্জে কারো কারো বাড়িতে ডালিম হয়। ডালিমের ফলন খুব কম তাই ডালিম বা বেদানা খেতে হলে কিনেই খেতে হয়। মুল্যও চড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি আমাদের পুষ্টি মেটাতে নিয়মিত ডালিম বা বেদানা না খেলেও চলে, তবে বাড়িতে ছোট শিশুদের মাঝে মাঝে বেদানা খাওয়ানো উচিত, এতে রক্তবৃদ্ধি করে শিশুদের ত্বক ওস্বাস্থ্যের জন্য এটি উপকারী ফল। ফলটি খাদ্য ও পুষ্টি গুণ বিচারে এটি সবার জন্য কমবেশি খাওয়া খুবই উপকারী। সব সময় না হলেও মাঝেমধ্যে এটি খাওয়া যেতে পারে এতে স্বাস্থ্য ত্বক দুটোই ভালো থাকবে। আপনিও থাকবেন সুস্থ ও সাবলীল।

ডালিমে প্রতি ১০০ গ্রামে আছে
…………………………………….
জলীয় অংশ ৮০.৯ মি.
খনিজ৷ ০.৬ মি.
আঁশ ৫.১ মি.
খাদ্য শক্তি ৭৪ মি.
আমিষ ১.৬ মি.
চর্বি অল্প
শর্করা ১৬.৯ মি.
ক্যালসিয়াম ২১ মি.
লৌহ৷ ০.৩ মি.
ক্যারোটিন অল্প
ভিটামিন বি -১ ০.২ মি.
ভিটামিন অল্প
ভিটামিন সি ২৬ মি.

উপসংহার
………………
ডালিম বা বেদানা এই ফলের গাছ অল্প জায়গায় বা বাড়ির আঙিনায় দু’ একটি লাগালে সেখানে ডালিম গাছটি বড় হয় হলে, স্বল্প ডালিমের পুষ্টির চাহিদা মানুষ মিটাতে পারে। এ ফলে তেমন কিট পতঙ্গ আক্রমণ আক্রমণ করে না,তাই বালাই নাশক স্প্রে প্রয়োজন হয় না। ফলে অল্প পরিশ্রমে স্বল্প পুষ্টির চাহিদা আমরা মিঠাতে পারি।

জেনারেল চিকিৎসক
মোঃ হেলাল উদ্দিন
ডি আই এম (মেডিসিন)
ডি এ এম এস( ন্যাচারাল মেডিসিন)
এমসিএইচ মা ও শিশুর রোগ

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবজির দাম চড়া, অস্থির ডিমের বাজার

রোগ ব্যধিতে ডালিম /বেদানার ব্যবহার

আপডেট সময় : ০৪:২০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

ডালিম বা বেদানার রস সুস্বাদু শরীরে বল বাঁড়ায়।বেদানার রস মেধা বৃদ্ধি করে, পিপাসা মিটাই। বেদানা বায়ু, পিত্ত, কফ নাশক।শরীর ঠান্ডা রাখে, রাতে জ্বর হলে বেদানার রস পান করলে শরীরে তাপ কমে, হৃদরোগ রোগীরা মাঝে মাঝে বেদানা খেলে উপকার পাওয়া যায়। বেদানার রসের সাথে অল্প পরিমাণে ঘৃতকুমারী অথবা এলোভেরা শাঁস মিশিয়ে খেলে হৃদ রোগীদের শরীর ভালো থাকে। ডালিম গাছের ছাল সিদ্ধ করে সেই পানি পান করলে আমাশয় ভালো হয়। ছোটদের লিভার বড় হলে ডালিম গাছের শেকড় শুকিয়ে গুরু করে অল্পমাত্রায় দুধ ও দুই এক চামুচ মধু মিশিয়ে পান করলে লিভার স্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়।

সহজ প্রাপ্য ডালিম বেদানা ফল
………………………………..
গ্রাম গঞ্জে কারো কারো বাড়িতে ডালিম হয়। ডালিমের ফলন খুব কম তাই ডালিম বা বেদানা খেতে হলে কিনেই খেতে হয়। মুল্যও চড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি আমাদের পুষ্টি মেটাতে নিয়মিত ডালিম বা বেদানা না খেলেও চলে, তবে বাড়িতে ছোট শিশুদের মাঝে মাঝে বেদানা খাওয়ানো উচিত, এতে রক্তবৃদ্ধি করে শিশুদের ত্বক ওস্বাস্থ্যের জন্য এটি উপকারী ফল। ফলটি খাদ্য ও পুষ্টি গুণ বিচারে এটি সবার জন্য কমবেশি খাওয়া খুবই উপকারী। সব সময় না হলেও মাঝেমধ্যে এটি খাওয়া যেতে পারে এতে স্বাস্থ্য ত্বক দুটোই ভালো থাকবে। আপনিও থাকবেন সুস্থ ও সাবলীল।

ডালিমে প্রতি ১০০ গ্রামে আছে
…………………………………….
জলীয় অংশ ৮০.৯ মি.
খনিজ৷ ০.৬ মি.
আঁশ ৫.১ মি.
খাদ্য শক্তি ৭৪ মি.
আমিষ ১.৬ মি.
চর্বি অল্প
শর্করা ১৬.৯ মি.
ক্যালসিয়াম ২১ মি.
লৌহ৷ ০.৩ মি.
ক্যারোটিন অল্প
ভিটামিন বি -১ ০.২ মি.
ভিটামিন অল্প
ভিটামিন সি ২৬ মি.

উপসংহার
………………
ডালিম বা বেদানা এই ফলের গাছ অল্প জায়গায় বা বাড়ির আঙিনায় দু’ একটি লাগালে সেখানে ডালিম গাছটি বড় হয় হলে, স্বল্প ডালিমের পুষ্টির চাহিদা মানুষ মিটাতে পারে। এ ফলে তেমন কিট পতঙ্গ আক্রমণ আক্রমণ করে না,তাই বালাই নাশক স্প্রে প্রয়োজন হয় না। ফলে অল্প পরিশ্রমে স্বল্প পুষ্টির চাহিদা আমরা মিঠাতে পারি।

জেনারেল চিকিৎসক
মোঃ হেলাল উদ্দিন
ডি আই এম (মেডিসিন)
ডি এ এম এস( ন্যাচারাল মেডিসিন)
এমসিএইচ মা ও শিশুর রোগ