ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাস্তা নয়, যেন মরণফাঁদ: চিতলমারীর দড়িউমাজুরি সুইচগেট সংলগ্ন সড়কে চরম ঝুঁকিতে জনসাধারণ

 

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ৭ নং সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দড়িউমাজুরি (গরিবপুর) সুইচগেট সংলগ্ন সড়কটি বর্তমানে এলাকাবাসীর জন্য এক আতঙ্কের নাম। সড়কটির এক পাশে খাল এবং অন্য পাশে পুকুর থাকলেও সেখানে কোনো ধরনের সুরক্ষা দেওয়াল, গার্ডরেল বা পাইলিং না থাকায় এটি যেন এক “মরণফাঁদে” পরিণত হয়েছে।

কৃষিনির্ভর এই এলাকার শত শত মানুষ প্রতিদিন জীবিকার প্রয়োজনে এই সড়ক ব্যবহার করেন। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবজি বোঝাই ভ্যান, অটোরিকশা, নসিমনসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। একই সঙ্গে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

সামান্য অসাবধানতা বা বৃষ্টির সময় পিচ্ছিল অবস্থায় যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়কটির পাশে পাইলিং বা গার্ডরেল নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ না হলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জননিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। তারা স্থানীয় সরকার, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেবে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে একটি নিরাপদ সড়কে পরিণত করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

রাস্তা নয়, যেন মরণফাঁদ: চিতলমারীর দড়িউমাজুরি সুইচগেট সংলগ্ন সড়কে চরম ঝুঁকিতে জনসাধারণ

আপডেট সময় : ১০:১৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

 

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ৭ নং সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দড়িউমাজুরি (গরিবপুর) সুইচগেট সংলগ্ন সড়কটি বর্তমানে এলাকাবাসীর জন্য এক আতঙ্কের নাম। সড়কটির এক পাশে খাল এবং অন্য পাশে পুকুর থাকলেও সেখানে কোনো ধরনের সুরক্ষা দেওয়াল, গার্ডরেল বা পাইলিং না থাকায় এটি যেন এক “মরণফাঁদে” পরিণত হয়েছে।

কৃষিনির্ভর এই এলাকার শত শত মানুষ প্রতিদিন জীবিকার প্রয়োজনে এই সড়ক ব্যবহার করেন। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবজি বোঝাই ভ্যান, অটোরিকশা, নসিমনসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। একই সঙ্গে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

সামান্য অসাবধানতা বা বৃষ্টির সময় পিচ্ছিল অবস্থায় যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়কটির পাশে পাইলিং বা গার্ডরেল নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ না হলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জননিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। তারা স্থানীয় সরকার, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেবে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে একটি নিরাপদ সড়কে পরিণত করবে।