ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রায়পুরে পৌরসভার খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে তথ্য উপস্থাপনা ও মতবিনিময় কর্মশালা।

রায়পুর পৌরসভার পরিকল্পিত ও আধুনিক নগর গঠনের লক্ষ্যে খসড়া মহাপরিকল্পনা (ড্রাফট মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়নের অংশ হিসেবে সংগৃহীত জরিপকৃত তথ্য উপস্থাপনা ও এক মতবিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত এই কর্মশালায় পৌরসভার বর্তমান অবকাঠামো, নাগরিক সুবিধা, জলবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সম্ভাবনাময় দিকগুলো নিয়ে সংগৃহীত জরিপের সার্বিক তথ্য তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে পৌরসভার কর্মকর্তা, নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ অংশ নেন। কর্মশালায় বক্তারা রায়পুরকে একটি পরিবেশবান্ধব, যানজটমুক্ত ও আধুনিক ডিজিটাল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
কর্মশালায় উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর তাদের নিজস্ব মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন। পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাপ্ত সকল গঠনমূলক মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত মহাপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী রায়পুর পৌরসভার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

রায়পুরে পৌরসভার খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে তথ্য উপস্থাপনা ও মতবিনিময় কর্মশালা।

আপডেট সময় : ০১:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

রায়পুর পৌরসভার পরিকল্পিত ও আধুনিক নগর গঠনের লক্ষ্যে খসড়া মহাপরিকল্পনা (ড্রাফট মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়নের অংশ হিসেবে সংগৃহীত জরিপকৃত তথ্য উপস্থাপনা ও এক মতবিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত এই কর্মশালায় পৌরসভার বর্তমান অবকাঠামো, নাগরিক সুবিধা, জলবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সম্ভাবনাময় দিকগুলো নিয়ে সংগৃহীত জরিপের সার্বিক তথ্য তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে পৌরসভার কর্মকর্তা, নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ অংশ নেন। কর্মশালায় বক্তারা রায়পুরকে একটি পরিবেশবান্ধব, যানজটমুক্ত ও আধুনিক ডিজিটাল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
কর্মশালায় উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর তাদের নিজস্ব মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন। পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাপ্ত সকল গঠনমূলক মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত মহাপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী রায়পুর পৌরসভার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।