ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজারহাটে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে আলোচনা

রাজারহাটে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে আলোচনা

মহান স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় দিনটি ঢিলেঢালা পরিবেশে পালিত হয়েছে বলে জানা গেছে। উপজেলা প্রশাসন ও সরকারি কয়েকটি দপ্তরের সীমিত আয়োজন ছাড়া জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ দিবসে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ তেমন চোখে পড়েনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিবসটি উপলক্ষে সরকারি কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা। তবে অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় আয়োজন ছিল অনেকটাই সীমিত এবং অংশগ্রহণও কম ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, রাজারহাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ডিসপ্লে প্রদর্শনী আয়োজন করা হলেও তা সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই সকাল ৯টার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের তেমন কোনো কর্মসূচি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সচেতন মহলের অনেকে মনে করছেন, জাতীয় দিবসগুলোতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকা প্রয়োজন ছিল।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবজির দাম চড়া, অস্থির ডিমের বাজার

রাজারহাটে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে আলোচনা

আপডেট সময় : ১০:৩৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

মহান স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় দিনটি ঢিলেঢালা পরিবেশে পালিত হয়েছে বলে জানা গেছে। উপজেলা প্রশাসন ও সরকারি কয়েকটি দপ্তরের সীমিত আয়োজন ছাড়া জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ দিবসে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ তেমন চোখে পড়েনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিবসটি উপলক্ষে সরকারি কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা। তবে অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় আয়োজন ছিল অনেকটাই সীমিত এবং অংশগ্রহণও কম ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, রাজারহাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ডিসপ্লে প্রদর্শনী আয়োজন করা হলেও তা সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই সকাল ৯টার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের তেমন কোনো কর্মসূচি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সচেতন মহলের অনেকে মনে করছেন, জাতীয় দিবসগুলোতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকা প্রয়োজন ছিল।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।