ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজারহাটের পলাশপুরে নদীভাঙনের হাহাকার, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রামে ভয়াবহ নদীভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি আর জীবিকার শেষ সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে নদীপাড়ের মানুষের। এমন সংকটময় মুহূর্তে দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে সরেজমিনে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।
পরিদর্শনকালে তিনি ভাঙনকবলিত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং অসহায় নদীপাড়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্দশার চিত্র শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বসতভিটা হারানোর আতঙ্কে থাকা পরিবারগুলোর কষ্টের কথা শুনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, “নদীভাঙন শুধু মাটি কেড়ে নেয় না, এটি মানুষের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ আর বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়টুকুও ধ্বংস করে দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।”
পরিদর্শনের সময় রাজারহাট উপজেলা ও নাজিমখান ইউনিয়নের বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ জরুরি সরকারি উদ্যোগের দাবি জানান।
নদীর ভয়াল গ্রাসে যখন পলাশপুরের মানুষ প্রতিদিন হারাচ্ছে তাদের স্বপ্ন আর নিরাপত্তা, তখন এলাকাবাসীর একটাই দাবি, অবিলম্বে স্থায়ী ব্যবস্থা নিয়ে নদীভাঙন রোধ করা হোক, বাঁচানো হো

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

রাজারহাটের পলাশপুরে নদীভাঙনের হাহাকার, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রামে ভয়াবহ নদীভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি আর জীবিকার শেষ সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে নদীপাড়ের মানুষের। এমন সংকটময় মুহূর্তে দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে সরেজমিনে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।
পরিদর্শনকালে তিনি ভাঙনকবলিত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং অসহায় নদীপাড়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্দশার চিত্র শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বসতভিটা হারানোর আতঙ্কে থাকা পরিবারগুলোর কষ্টের কথা শুনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, “নদীভাঙন শুধু মাটি কেড়ে নেয় না, এটি মানুষের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ আর বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়টুকুও ধ্বংস করে দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।”
পরিদর্শনের সময় রাজারহাট উপজেলা ও নাজিমখান ইউনিয়নের বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ জরুরি সরকারি উদ্যোগের দাবি জানান।
নদীর ভয়াল গ্রাসে যখন পলাশপুরের মানুষ প্রতিদিন হারাচ্ছে তাদের স্বপ্ন আর নিরাপত্তা, তখন এলাকাবাসীর একটাই দাবি, অবিলম্বে স্থায়ী ব্যবস্থা নিয়ে নদীভাঙন রোধ করা হোক, বাঁচানো হো