ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গুনিয়া চন্দ্রঘোনা ও রাইখালী ফেরিঘাটে অনিয়মের অভিযোগ, রাঙ্গুনিয়া ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া
চন্দ্রঘোনা ও রাইখালী ফেরিঘাটে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও তা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি করেছেন স্থানীয় যাত্রীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যাপ্ত যাত্রী থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় মাত্র ৭ থেকে ৮ জন, কখনোবা ৯ জন যাত্রী নিয়েই চাম্পান ছেড়ে যাচ্ছে। এ সময় প্রত্যেক যাত্রীর কাছ থেকে ১০ টাকা করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এভাবে কমসংখ্যক যাত্রী নিয়ে বারবার চাম্পান চলাচল করায় প্রয়োজনের সময়ে পারাপারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। ফলে দীর্ঘ সময় ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ প্রতিদিনের যাতায়াতের ওপর নির্ভরশীল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্থানীয় যাত্রীরা বলছেন, ফেরিঘাটে এমন পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে চললেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে একদিকে যেমন যাত্রীদের সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে অনিয়মের সুযোগে ভোগান্তি ক্রমেই বাড়ছে।
তাদের দাবি, চন্দ্রঘোনা ও রাইখালী ফেরিঘাটের কার্যক্রম সরেজমিনে তদন্ত করে কমসংখ্যক যাত্রী নিয়ে চাম্পান চলাচলের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত নিয়মে ফেরি বা চাম্পান পরিচালনা এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং দীর্ঘদিনের এ অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে সাধারণ যাত্রীদের নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

রাঙ্গুনিয়া চন্দ্রঘোনা ও রাইখালী ফেরিঘাটে অনিয়মের অভিযোগ, রাঙ্গুনিয়া ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা

আপডেট সময় : ০৭:১৬:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া
চন্দ্রঘোনা ও রাইখালী ফেরিঘাটে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও তা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি করেছেন স্থানীয় যাত্রীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পর্যাপ্ত যাত্রী থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় মাত্র ৭ থেকে ৮ জন, কখনোবা ৯ জন যাত্রী নিয়েই চাম্পান ছেড়ে যাচ্ছে। এ সময় প্রত্যেক যাত্রীর কাছ থেকে ১০ টাকা করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এভাবে কমসংখ্যক যাত্রী নিয়ে বারবার চাম্পান চলাচল করায় প্রয়োজনের সময়ে পারাপারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। ফলে দীর্ঘ সময় ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ প্রতিদিনের যাতায়াতের ওপর নির্ভরশীল বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
স্থানীয় যাত্রীরা বলছেন, ফেরিঘাটে এমন পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে চললেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে একদিকে যেমন যাত্রীদের সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে অনিয়মের সুযোগে ভোগান্তি ক্রমেই বাড়ছে।
তাদের দাবি, চন্দ্রঘোনা ও রাইখালী ফেরিঘাটের কার্যক্রম সরেজমিনে তদন্ত করে কমসংখ্যক যাত্রী নিয়ে চাম্পান চলাচলের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত নিয়মে ফেরি বা চাম্পান পরিচালনা এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং দীর্ঘদিনের এ অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে সাধারণ যাত্রীদের নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করবে।