চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৮নং সরফভাটা ইউনিয়নে পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। ঐতিহ্যবাহী ক্ষেত্র বাজারের পাশে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে বাণিজ্যিক বর্জ্য ও গরু জবাই করে সেই রক্ত ও ময়লা। এসব বর্জ্যের পঁচা তীব্র দুর্গন্ধে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ময়লার ভাগাড় এর পাশে রয়েছে সরফভাটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়,মেহেরিয়া মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা,ইউনিয়ন হেলথ ক্লিনিক, সহ ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সুনির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় বাজারের ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে কিংবা খোলা স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। বৃষ্টি হলেই এই বর্জ্য ধুয়ে সংলগ্ন নালা ও নিচু জমিতে ছড়িয়ে পড়ছে, যা মারাত্মক পরিবেশ দূষণ তৈরি করছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মাদ্রাসার শিশু এবং পথচারীদের প্রতিদিন নাক-মুখ চেপে এই পথ অতিক্রম করতে হচ্ছে।
লোকালয়ের কাছে খোলা এভাবে ময়লা পড়ে থাকায় মশা, মাছি ও পোকামাকড়ের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। স্থানীয় চিকিৎসকদের মতে, এই অবহেলা ও দূষণের কারণে এলাকায় ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও নানা চর্মরোগসহ বিভিন্ন বায়ুবাহিত রোগের প্রকোপ ছড়ানোর তীব্র স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
সরফভাটা ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল আবসার মেম্বার বলেন আমরা বাপ দাদার আমল থেকে এই রাস্তায় চলাচল করি,আগে কিন্তু এতো বেশি ময়লা ছিলনা, তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি যাতে এই ময়লার ভাগাড় এখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, অতি দ্রুত এই ময়লার স্তূপগুলো অপসারণ করে একটি নির্দিষ্ট ডাম্পিং জোন তৈরি করা দরকার। তারা অবিলম্বে যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে এবং সরফভাটার পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ওমর ফারুক রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৮নং সরফভাটা ইউনিয়নে পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। ঐতিহ্যবাহী ক্ষেত্র বাজারের পাশে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে বাণিজ্যিক বর্জ্য ও গরু জবাই করে সেই রক্ত ও ময়লা। এসব বর্জ্যের পঁচা তীব্র দুর্গন্ধে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ময়লার ভাগাড় এর পাশে রয়েছে সরফভাটা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়,মেহেরিয়া মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা,ইউনিয়ন হেলথ ক্লিনিক, সহ ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সুনির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় বাজারের ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে কিংবা খোলা স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। বৃষ্টি হলেই এই বর্জ্য ধুয়ে সংলগ্ন নালা ও নিচু জমিতে ছড়িয়ে পড়ছে, যা মারাত্মক পরিবেশ দূষণ তৈরি করছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মাদ্রাসার শিশু এবং পথচারীদের প্রতিদিন নাক-মুখ চেপে এই পথ অতিক্রম করতে হচ্ছে।
লোকালয়ের কাছে খোলা এভাবে ময়লা পড়ে থাকায় মশা, মাছি ও পোকামাকড়ের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। স্থানীয় চিকিৎসকদের মতে, এই অবহেলা ও দূষণের কারণে এলাকায় ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও নানা চর্মরোগসহ বিভিন্ন বায়ুবাহিত রোগের প্রকোপ ছড়ানোর তীব্র স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
সরফভাটা ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল আবসার মেম্বার বলেন আমরা বাপ দাদার আমল থেকে এই রাস্তায় চলাচল করি,আগে কিন্তু এতো বেশি ময়লা ছিলনা, তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি যাতে এই ময়লার ভাগাড় এখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, অতি দ্রুত এই ময়লার স্তূপগুলো অপসারণ করে একটি নির্দিষ্ট ডাম্পিং জোন তৈরি করা দরকার। তারা অবিলম্বে যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে এবং সরফভাটার পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ওমর ফারুক রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি 



















