রাঙ্গুনিয়ায় মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনকে আরও কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। দিন দিন মাদকসেবনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
মাদকের নেশায় আসক্ত কিছু ব্যক্তি চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। ছাগল চুরি, ডাব চুরি থেকে শুরু করে দোকানে চুরির মতো ঘটনাও ঘটছে। মাদকের অর্থ জোগাড় করতে কেউ কেউ এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাঙ্গুনিয়ায় কিছু মাদক ব্যবসায়ী প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় থেকে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছেন। কেউ কেউ প্রশাসনকে মাসোহারা দিয়ে নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।
অভিযোগ রয়েছে, মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখানো কিংবা বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এসব অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
মাদকের বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনের অভিযানই নয়, সাধারণ জনগণকেও সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মাদক বিক্রেতা ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদকসেবীদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও সচেতনতার উদ্যোগও জোরদার করা প্রয়োজন।
একটি মাদকমুক্ত রাঙ্গুনিয়া গড়তে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনা এবং ভুক্তভোগী ও প্রতিবাদকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
প্রতিনিধির নাম উল্লেখ করা রয়েছে 



















