আসন্ন ৪নং নাংলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমে জোরালো হচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ৪নং নাংলা ইউনিয়ন বিএনপি ০৩ (তিন) বারের সভাপতি ও মেলান্দহ উপজেলা বিএনপি সহসভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ বজলুর রহমান নাম ও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মী ও তার সমর্থকদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক মানবিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সংস্কৃত রয়েছেন। সে বিএনপি করার জন্যে বহুবার আঃলীগের কাছে নির্যাতিত শিকার হতে হয়েছে এবং জেল খাটতে হয়েছে । মানুষের সেবা করার জন্য সে তার নিজের ৪নং নাংলা ইউনিয়নে নিজ জায়গায় স্থাপন করেছিল অটো রাইস মিল কিন্তু তার অটো রাইস মিল লাইসেন্স বাতিল করে দেয় এবং বন্ধ হয়ে যায়। ও দলীয় আন্দোলন ও সংগ্রামে নেতা কর্মীদের পাশে থাকা সহ বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণের কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তিনি পরিচিত অর্জন করেছেন। সমর্থকদের ভাষ্য ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি পেশা মানুষের সঙ্গে নিয়োজিত যোগাযোগ সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন জনসেবামূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা থাকলেও চেয়ারম্যান পদে কে দলীয় মনোনয়ন পাবেন এবং শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তা নিয়ে নির্ভর করবে সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার ওপর। এ বিষয়ে আলহাজ্ব মোহাম্মদ বজলুর রহমান বলেন- রাজনীতিকে আমি মানুষের সেবার মাধ্যম হিসেবে দেখি। অতীতে ও মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই। দলীয় সিদ্ধান্ত এবং জনগণের সমর্থন পেলে ৪নং নাংলা ইউনিয়নের উন্নয়ন স্বচ্ছতা ও জনকল্যাণকে অগ্রধিকার দিয়ে কাজ করব। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য পাথীদের নানা কার্যক্রম ও রাজনৈতিক তৎপরতায় ৪নং নাংলা ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের ধারণা তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনে আমেজ আরো বাড়বে।
ইমরান খান উপজেলা প্রতিনিধি মেলান্দহ, জামালপুর 



















