নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত থাকলেও তাঁদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া দেননি জামাতি এই জেলা প্রশাসক।
৬৮ টি সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।
অনুষ্ঠানে এই জেলা প্রশাসককে জানানোর পরও তিনি কর্ণপাত করেননি।
নজরুলের অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন
বিতর্কিত হয়।
নজরুলের অনুষ্ঠানে ” নজরুল” ঘিরে
সংগীত, কবিতা আয়োজনের কথা।
হাসন রাজা, লালনের গানও
পরিবেশন করা হয় এই ডিসির হস্তক্ষেপে।
জেলার সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী এসব ব্যক্তিকে আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি পুরস্কার বিতরণী পর্বেও তাঁদের হাত দিয়ে একজন বিজয়ীকেও পুরস্কার প্রদান করানো হয়নি।
আবার মঞ্চেও তাঁদের কাউকে ডাকেননি।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, জেলা প্রশাসককে সরাসরি বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও জেলা প্রশাসক কোনো গুরুত্ব দেননি এবং পরিস্থিতির কোনো সংশোধনও করেননি।
জোটের সভাপতি স্থানীয় এমপি
মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করেন।
কেবল আমন্ত্রণ জানানোই সম্মান নয়; একজন অতিথিকে তাঁর মর্যাদা অনুযায়ী মূল্যায়ন ও যথাযথ দায়িত্ব প্রদান করাই প্রকৃত সম্মান। দীর্ঘদিন ধরে জেলার সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এভাবে উপেক্ষা করা শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত অসম্মান নয়, বরং জেলার সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সমাজের প্রতিও অবমূল্যায়ন।
প্রশাসনের সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মুন্সীগঞ্জ
শিল্পীদের আয়োজন ঘটিয়ে অনুষ্ঠান
সফল করে থাকেন।
এরআগে সৈয়দা নুরমহল আশরাফী
মুন্সীগঞ্জে চাকরি জীবনেও বিতর্কিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসনের এ ধরনের আচরণের তীব্র নিন্দা, ঘৃনা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্তপূর্বক তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারসহ সরকারের দায়িত্বশীলদের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
সম্মান কেবল আমন্ত্রণে নয়—সম্মান প্রকাশ পায় আচরণে, মূল্যায়নে এবং মর্যাদাপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে।
আমার শিল্পী ও আমার সংবাদকর্মীদের জন্য,জীবন উৎসর্গ করবো, তবুও কারও কাছে মাথানত করবো না। অন্যায়, অবিচার, জুলুমের বিরুদ্ধে আমার প্রতিবাদ থাকবেই-ইনশাআল্লাহ।
অচিরেই এই দোসরের বিরুদ্ধে
কর্মসূচি গ্রহণ করবে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এবং জাসাস সম্মিলিতভাবে।
ধন্যবাদান্তে
মোজাম্মেল হোসেন সজল
সভাপতি
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মুন্সীগঞ্জ
সাবেক সাধারণ সম্পাদক
মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব।
সভাপতি
টেলিভিশন এন্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, মুন্সীগঞ্জ।
হারুন রশীদ শেখ স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক বাংলার সংবাদ 



















