ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জাপুরে ধুপুরিয়া গ্রামে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করলো পুলিশ



‎টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বসতঘর থেকে মা ও চার বছর বয়সী মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎শুক্রবার (১৪ আগস্ট ২৬) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

‎নিহতরা হলেন- ধুপুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি রাজীব হোসেনের স্ত্রী কনিকা আক্তার (২২) ও তাদের চার বছরের মেয়ে রাজিয়া।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে রাজীব ও কনিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে রাজীব হোসেন সিলেটে বেড়াতে যান। শুক্রবার সকালে কনিকা তার মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

‎বাড়িতে ফিরে কনিকা মেয়েকে নিয়ে বসতঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে দরজা ভেঙে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। একই ঘরের মেঝেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে মেয়েকে হত্যা করে কনিকা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

‎এব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ-আল মামুন বলেন, শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মির্জাপুরে ধুপুরিয়া গ্রামে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করলো পুলিশ

আপডেট সময় : ০১:১১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬



‎টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বসতঘর থেকে মা ও চার বছর বয়সী মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎শুক্রবার (১৪ আগস্ট ২৬) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

‎নিহতরা হলেন- ধুপুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি রাজীব হোসেনের স্ত্রী কনিকা আক্তার (২২) ও তাদের চার বছরের মেয়ে রাজিয়া।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে রাজীব ও কনিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে রাজীব হোসেন সিলেটে বেড়াতে যান। শুক্রবার সকালে কনিকা তার মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

‎বাড়িতে ফিরে কনিকা মেয়েকে নিয়ে বসতঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে দরজা ভেঙে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। একই ঘরের মেঝেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে মেয়েকে হত্যা করে কনিকা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

‎এব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ-আল মামুন বলেন, শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।