ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জাপুরের প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী

 

টাংগাইলের মির্জাপুরের এক সম্ভান্ত্র মুসলিম পরিবারের সন্তান প্রফেসর ডক্টর দেলোয়ার হোসেনের লেখা কবিতা ও জীবনী তোলে ধরা হল :

কবিতাঃ কার ছেলে কেমন
লেখকঃ প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
(ডাবল মাস্টার্স, ডাবল পিএইচডি, ট্রিপল ডিপ্লোমা)

তিন বান্ধবী করছে আলাপ
যার ছেলে যেমন।
কবিতার ভাষায় শুনি আমরা
কার ছেলে কেমন?

ছেলে আমার মস্ত বড়ো
অনেক শক্তি তার,
তার উপরে কথা বলতে
সাহস আছে কার?

দুই তিনটি বাড়ি ঢাকায়
থাকার মানুষ নাই।
বাড়ি ভাড়া থেকেই মাসে
অনেক তার কামাই।

ব্যাংকে আছে টাকার পাহাড়
হিসাব নিকাশ নাই।
সুইস ব্যাংকেও টাকা আছে
তোমাকে জানাই।

আমার ছেলেও কম বড় নয়
বলছি কথা তাহার।
চল্লিশ হাজার বাড়ি ভাড়া
বেতন ত্রিশ হাজার।

বেতনের টাকায় হাত দেয় না
সবই পরে থাকে।
অট্টালিকা বানানোর কথা
বলছি আমি তাকে।

ছেলে আমার ভালো অনেক
আমায় কথা দিছে,
এবছরেই করবে বাড়ি
ফেলবো তোমায় পিছে।

আমার ছেলেও অনেক বড়ো
বেতন অনেক পায়।
তার পরেও সংসার চালাতে
হিমসিম অনেক খায়!

বাড়ি গাড়ি নেই কো তাহার
চলে সাদাসিধে।
বেতনের বাইরে কামাই নেই
নেইকো টাকার খিদে।

আল্লার রাস্তায় চলে সদা
হালাল কামাই করে।
লক্ষী একখান বউ আছে
আমার ছেলের ঘরে।

সবার ছেলেই ভালো দেখছি
দাবি সবার মা’র।
আমরা সবাই বিচার করি
ভালো ছেলে কার?

লেখক পরিচিতিঃ
কৃষিবিদ প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
(ডাবল মাস্টার্স, ডাবল পিএইচডি, ট্রিপল ডিপ্লোমা)
দাদাঃ মরহুম ভূবন বেপারী, পিতাঃ মরহুম লাল মিয়া, মাতাঃ মরহুমা সিলেমন বেগম।

স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম- ছোট গবড়া, পোষ্ট- গোহাইল বাড়ি, ইউপি- বহুরিয়া, উপজেলা- মির্জাপুর, জেলা- টাংগাইল।

জন্মস্থানঃ গ্রাম- হাড়িয়া (নানা বাড়ি), নানা- মরহুম কূরবান আলী সিকদার, মামা- মরহুম হালিম সিকদার, পোষ্ট- কামারপাড়া, ইউপি- ভাওড়া, উপজেলা- মির্জাপুর, জেলা- টাংগাইল।

লেখাপড়া করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ
গবড়া (দক্ষিন) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (১ম, ২য়, ৩য় এবং ৫ ম শ্রেণী), হাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (৪র্থ শ্রেণী), দেওহাটা এজে উচ্চ বিদ্যালয় ৬ষ্ঠ শ্রেণি (৬মাস), গেড়ামারা গোহাইলবাড়ি সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণী), এমএম আলী সরকারী কলেজ টাংগাইল (ইন্টারমেডিয়েট ১ম বর্ষ), মির্জাপুর সরকারী ডিগ্রী কলেজ (ইন্টারমিডিয়েট ২য় বর্ষ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ (বিএসসি-এজি, অনার্স), গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (এম এস, ইন এন্টোমলজি, ১ম ও ২য় সেমিস্টার), শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (এম এস এবং ১ম পিএইচডি, ইন জেনেটিক্স এ্যান্ড প্লান্ট ব্রিডিং), বিমস কলেজ আইকিউএন-যুক্তরাজ্য (ডিপ্লোমা ইন সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফেডারেল হোমিও মেডিকেল কলেজ ঢাকা (ডিএইচএমএস), জাতীয়বযুব উন্নয়ন একাডেমী (ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার), সোনারগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় (এমবিএ, ইন প্রকিউরমেন্ট এ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (২য় পিএইচডি ফেলো, ইন সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট)।

পেশাঃ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

সাবেক কো-অর্ডিনেটর ও চেয়ারম্যান, এগ্রিবিজনেস ডিপার্টমেন্ট এবং একাডেমিক কাউন্সিল মেম্বার, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ও ট্রেজারার ইন চার্জ, রেজিস্ট্রার, চেয়ারম্যান এবং ডিন কৃষি ও কৃষি অর্থনীতি একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট মেম্বার, ডিরেক্টর রিসার্চ, ডিরেক্টর আইকিউএসি, ডিরেক্টর পাবলিক রিলেশন, এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।

প্রকাশনাঃ
টেক্সট বুক – ০৪ টি অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে
1. Introduction to Research
2. Introduction to Supply Chain
3. High Value Crop Production
4. Biodegradable Packaging Materials

বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ-৩৫ টি,
ম্যাগাজিন আর্টিকেল – ০৫ টি,
কবিতার বইঃ একক ১ টি এবং যৌথ-৬০ টি।
লেখা মোট সনেট: ৫০ টি।

সখঃ বই পড়া, গবেষণ এবং লেখালিখি করা।

সনেট ও কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রাপ্ত সম্মাননা:
ভারত হতে প্রাপ্ত -১১০ টি কবিতায়, ১১টি সনেটে।
বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত : কবিতায় ৪০০ টি।

সাহিত্য পুরষ্কার গ্রহণ:
১. পশ্চিম বঙ্গ বাংলা সাহিত্য ও কাব্য পরিষদ অভিনন্দন স্মারক ২০২০।
২. সেরা কবি সম্মাননা ২০২০ ডাকবাংলো সাহিত্য একাডেমি।
৩. দর্পন সাহিত্য পরিবার সম্নাননা ২০২০।
৪. গুণিজন সংবর্ধনা, সৃজন মির্জাপুর ২০২১।
৫. প্রকাশনা ও সংবর্ধনা ২০২১, সংবর্ধিত গুণীজন।
৬. সেরা কবি সম্মাননা ২০২১ ডাকবাংলো সাহিত্য একাডেমি।
৭. বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদ শুভেচছা স্মারক ২০২১।
৮. বনানী বাংলা সাহিত্য পুরষ্কার ২০২১।
৯. সময়ের সুর গুণীজন সম্মা,ননা ২০২১।
১০. কবিতার ফাইল সাহিত্য পুরষ্কার ২০২১।
১১. ডাকবাংলো বর্ষসেরা সাহিত্য পদক ২০২১।
১২. মানিক বন্দোপাধ্যায় সাহিত্য পুরষ্কার ২০২২,
১৩. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্য পুরষ্কার ২০২২,
১৪. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য পুরষ্কার ২০২২,
১৫. প্রাণের মেলা আন্তর্জাতিক গুণীজন সংবর্ধনা ২০২২।
১৬. International Creative Arts Award Dhaka University Unit 2025.
১৭. ডাক বাংলা প্রকাশনী সম্মাননা স্মারক ২০২৬।

সম্মাননা গ্রহণ ও নিম্নলিখিত বইতে জীবনী অন্তর্ভুক্ত :
১. বাংলাদেশের সেরা শিক্ষক,
২. শতাব্ধীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক টাংগাইলে,
৩. সফল গবেষক টাংগাইল,
৪. বাংলা সাহিত্যে টাংগাইলের লেখক,
৫. কৃষিবিদ টাংগাইল,
৬. মির্জাপুরের গৌরবগাঁথা
৭. শতবর্ষের সফল ব্যক্তি টাংগাইল।

প্রতিষ্ঠাতা: প্রফেসর ডক্টর দেলোয়ার একাডেমি, ঢাকা।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক,
জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরাম,
কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা, বাংলাদেশ।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মির্জাপুরের প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

 

টাংগাইলের মির্জাপুরের এক সম্ভান্ত্র মুসলিম পরিবারের সন্তান প্রফেসর ডক্টর দেলোয়ার হোসেনের লেখা কবিতা ও জীবনী তোলে ধরা হল :

কবিতাঃ কার ছেলে কেমন
লেখকঃ প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
(ডাবল মাস্টার্স, ডাবল পিএইচডি, ট্রিপল ডিপ্লোমা)

তিন বান্ধবী করছে আলাপ
যার ছেলে যেমন।
কবিতার ভাষায় শুনি আমরা
কার ছেলে কেমন?

ছেলে আমার মস্ত বড়ো
অনেক শক্তি তার,
তার উপরে কথা বলতে
সাহস আছে কার?

দুই তিনটি বাড়ি ঢাকায়
থাকার মানুষ নাই।
বাড়ি ভাড়া থেকেই মাসে
অনেক তার কামাই।

ব্যাংকে আছে টাকার পাহাড়
হিসাব নিকাশ নাই।
সুইস ব্যাংকেও টাকা আছে
তোমাকে জানাই।

আমার ছেলেও কম বড় নয়
বলছি কথা তাহার।
চল্লিশ হাজার বাড়ি ভাড়া
বেতন ত্রিশ হাজার।

বেতনের টাকায় হাত দেয় না
সবই পরে থাকে।
অট্টালিকা বানানোর কথা
বলছি আমি তাকে।

ছেলে আমার ভালো অনেক
আমায় কথা দিছে,
এবছরেই করবে বাড়ি
ফেলবো তোমায় পিছে।

আমার ছেলেও অনেক বড়ো
বেতন অনেক পায়।
তার পরেও সংসার চালাতে
হিমসিম অনেক খায়!

বাড়ি গাড়ি নেই কো তাহার
চলে সাদাসিধে।
বেতনের বাইরে কামাই নেই
নেইকো টাকার খিদে।

আল্লার রাস্তায় চলে সদা
হালাল কামাই করে।
লক্ষী একখান বউ আছে
আমার ছেলের ঘরে।

সবার ছেলেই ভালো দেখছি
দাবি সবার মা’র।
আমরা সবাই বিচার করি
ভালো ছেলে কার?

লেখক পরিচিতিঃ
কৃষিবিদ প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
(ডাবল মাস্টার্স, ডাবল পিএইচডি, ট্রিপল ডিপ্লোমা)
দাদাঃ মরহুম ভূবন বেপারী, পিতাঃ মরহুম লাল মিয়া, মাতাঃ মরহুমা সিলেমন বেগম।

স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম- ছোট গবড়া, পোষ্ট- গোহাইল বাড়ি, ইউপি- বহুরিয়া, উপজেলা- মির্জাপুর, জেলা- টাংগাইল।

জন্মস্থানঃ গ্রাম- হাড়িয়া (নানা বাড়ি), নানা- মরহুম কূরবান আলী সিকদার, মামা- মরহুম হালিম সিকদার, পোষ্ট- কামারপাড়া, ইউপি- ভাওড়া, উপজেলা- মির্জাপুর, জেলা- টাংগাইল।

লেখাপড়া করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ
গবড়া (দক্ষিন) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (১ম, ২য়, ৩য় এবং ৫ ম শ্রেণী), হাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (৪র্থ শ্রেণী), দেওহাটা এজে উচ্চ বিদ্যালয় ৬ষ্ঠ শ্রেণি (৬মাস), গেড়ামারা গোহাইলবাড়ি সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণী), এমএম আলী সরকারী কলেজ টাংগাইল (ইন্টারমেডিয়েট ১ম বর্ষ), মির্জাপুর সরকারী ডিগ্রী কলেজ (ইন্টারমিডিয়েট ২য় বর্ষ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ (বিএসসি-এজি, অনার্স), গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (এম এস, ইন এন্টোমলজি, ১ম ও ২য় সেমিস্টার), শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (এম এস এবং ১ম পিএইচডি, ইন জেনেটিক্স এ্যান্ড প্লান্ট ব্রিডিং), বিমস কলেজ আইকিউএন-যুক্তরাজ্য (ডিপ্লোমা ইন সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফেডারেল হোমিও মেডিকেল কলেজ ঢাকা (ডিএইচএমএস), জাতীয়বযুব উন্নয়ন একাডেমী (ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার), সোনারগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় (এমবিএ, ইন প্রকিউরমেন্ট এ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (২য় পিএইচডি ফেলো, ইন সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট)।

পেশাঃ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

সাবেক কো-অর্ডিনেটর ও চেয়ারম্যান, এগ্রিবিজনেস ডিপার্টমেন্ট এবং একাডেমিক কাউন্সিল মেম্বার, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ও ট্রেজারার ইন চার্জ, রেজিস্ট্রার, চেয়ারম্যান এবং ডিন কৃষি ও কৃষি অর্থনীতি একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট মেম্বার, ডিরেক্টর রিসার্চ, ডিরেক্টর আইকিউএসি, ডিরেক্টর পাবলিক রিলেশন, এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।

প্রকাশনাঃ
টেক্সট বুক – ০৪ টি অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে
1. Introduction to Research
2. Introduction to Supply Chain
3. High Value Crop Production
4. Biodegradable Packaging Materials

বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ-৩৫ টি,
ম্যাগাজিন আর্টিকেল – ০৫ টি,
কবিতার বইঃ একক ১ টি এবং যৌথ-৬০ টি।
লেখা মোট সনেট: ৫০ টি।

সখঃ বই পড়া, গবেষণ এবং লেখালিখি করা।

সনেট ও কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রাপ্ত সম্মাননা:
ভারত হতে প্রাপ্ত -১১০ টি কবিতায়, ১১টি সনেটে।
বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত : কবিতায় ৪০০ টি।

সাহিত্য পুরষ্কার গ্রহণ:
১. পশ্চিম বঙ্গ বাংলা সাহিত্য ও কাব্য পরিষদ অভিনন্দন স্মারক ২০২০।
২. সেরা কবি সম্মাননা ২০২০ ডাকবাংলো সাহিত্য একাডেমি।
৩. দর্পন সাহিত্য পরিবার সম্নাননা ২০২০।
৪. গুণিজন সংবর্ধনা, সৃজন মির্জাপুর ২০২১।
৫. প্রকাশনা ও সংবর্ধনা ২০২১, সংবর্ধিত গুণীজন।
৬. সেরা কবি সম্মাননা ২০২১ ডাকবাংলো সাহিত্য একাডেমি।
৭. বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদ শুভেচছা স্মারক ২০২১।
৮. বনানী বাংলা সাহিত্য পুরষ্কার ২০২১।
৯. সময়ের সুর গুণীজন সম্মা,ননা ২০২১।
১০. কবিতার ফাইল সাহিত্য পুরষ্কার ২০২১।
১১. ডাকবাংলো বর্ষসেরা সাহিত্য পদক ২০২১।
১২. মানিক বন্দোপাধ্যায় সাহিত্য পুরষ্কার ২০২২,
১৩. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্য পুরষ্কার ২০২২,
১৪. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য পুরষ্কার ২০২২,
১৫. প্রাণের মেলা আন্তর্জাতিক গুণীজন সংবর্ধনা ২০২২।
১৬. International Creative Arts Award Dhaka University Unit 2025.
১৭. ডাক বাংলা প্রকাশনী সম্মাননা স্মারক ২০২৬।

সম্মাননা গ্রহণ ও নিম্নলিখিত বইতে জীবনী অন্তর্ভুক্ত :
১. বাংলাদেশের সেরা শিক্ষক,
২. শতাব্ধীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক টাংগাইলে,
৩. সফল গবেষক টাংগাইল,
৪. বাংলা সাহিত্যে টাংগাইলের লেখক,
৫. কৃষিবিদ টাংগাইল,
৬. মির্জাপুরের গৌরবগাঁথা
৭. শতবর্ষের সফল ব্যক্তি টাংগাইল।

প্রতিষ্ঠাতা: প্রফেসর ডক্টর দেলোয়ার একাডেমি, ঢাকা।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক,
জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরাম,
কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা, বাংলাদেশ।