ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন পরিষদ



‎বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করে আরও ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে।
‎বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিষদ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রণালয়ের পরিষদ-১ শাখার যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে নতুন পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
‎প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯ এবং পরবর্তী সংশোধনীসহ ২০১৪ সালের সংশোধিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এ অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে।
‎নতুন পরিষদের সদস্যরা হলেন—চনুমং, মংক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তংচংগ্যা, দনওয়াই লো, আগস্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উই চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, ক্যউ প্রু খিয়াং, উম্যাসিং মার্মা ও কাজী নিরুতাঞ্জ বেগম।
‎সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ দায়িত্ব গ্রহণের পর বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
‎দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার মাম্যাচিং
‎নতুন চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। তিনি ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। মারমা নারীদের মধ্যে তিনি প্রথম স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হিসেবে পরিচিত।
‎বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর তিনি পঞ্চম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন।
‎এ ছাড়া মাম্যাচিং বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি এবং বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
‎দলীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৮ থেকে ২০০৭ সাল এবং ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ তিনি বিএনপির উপজাতি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বেও ছিলেন।
‎দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে বান্দরবানসহ পার্বত্য অঞ্চলের নারী রাজনীতিবিদদের মধ্যে মাম্যাচিংকে একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন পরিষদ

আপডেট সময় : ১২:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬



‎বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করে আরও ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে।
‎বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিষদ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রণালয়ের পরিষদ-১ শাখার যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে নতুন পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
‎প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯ এবং পরবর্তী সংশোধনীসহ ২০১৪ সালের সংশোধিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এ অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে।
‎নতুন পরিষদের সদস্যরা হলেন—চনুমং, মংক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তংচংগ্যা, দনওয়াই লো, আগস্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উই চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, ক্যউ প্রু খিয়াং, উম্যাসিং মার্মা ও কাজী নিরুতাঞ্জ বেগম।
‎সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ দায়িত্ব গ্রহণের পর বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
‎দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার মাম্যাচিং
‎নতুন চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। তিনি ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। মারমা নারীদের মধ্যে তিনি প্রথম স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হিসেবে পরিচিত।
‎বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর তিনি পঞ্চম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন।
‎এ ছাড়া মাম্যাচিং বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি এবং বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
‎দলীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৮ থেকে ২০০৭ সাল এবং ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ তিনি বিএনপির উপজাতি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বেও ছিলেন।
‎দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে বান্দরবানসহ পার্বত্য অঞ্চলের নারী রাজনীতিবিদদের মধ্যে মাম্যাচিংকে একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়