ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাধবপুরে ১২টি বন্য পাখি উদ্ধার, সাতছড়ি উদ্যানে অবমুক্ত

‎মাধবপুরে ১২টি বন্য পাখি উদ্ধার, সাতছড়ি উদ্যানে অবমুক্ত



‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের অভিযানে ১২টি বন্য পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে এসব পাখিকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়।

‎মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সারাদিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এবং বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাবরিনা সাইদা শিমু। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবুল কালামের নির্দেশনায় এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাখি প্রেমিক সোসাইটি’র সহযোগিতায় অভিযানটি সম্পন্ন হয়। সাতছড়ি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবুল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

‎অভিযান চলাকালে উপজেলার দিঘীরপাড়, দুর্গানগর, শিয়ালউড়ি, হরসপুর বাজার, চৌমুহনী ও ধর্মঘর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৫টি ঘুঘু, ৫টি শালিক ও ২টি ডাহুক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিকারি সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।

‎‘পাখি প্রেমিক সোসাইটি’র সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে বন্য পাখি রক্ষায় কাজ করছি। ঝুঁকি নিয়েও পাখি উদ্ধার করে বন বিভাগে হস্তান্তর করি। অনেক সময় কাজের স্বীকৃতি না পেলেও আমরা নিঃস্বার্থভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”

‎বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাবরিনা সাইদা শিমু বলেন, “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পাখি শিকার বা আটক রাখা দণ্ডনীয় অপরাধ। বন্যপ্রাণী রক্ষায় অভিযান চলমান থাকবে।”

‎বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, “বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মাধবপুরে ১২টি বন্য পাখি উদ্ধার, সাতছড়ি উদ্যানে অবমুক্ত

আপডেট সময় : ০৫:৩২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫



‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের অভিযানে ১২টি বন্য পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে এসব পাখিকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়।

‎মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সারাদিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এবং বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাবরিনা সাইদা শিমু। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবুল কালামের নির্দেশনায় এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘পাখি প্রেমিক সোসাইটি’র সহযোগিতায় অভিযানটি সম্পন্ন হয়। সাতছড়ি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবুল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

‎অভিযান চলাকালে উপজেলার দিঘীরপাড়, দুর্গানগর, শিয়ালউড়ি, হরসপুর বাজার, চৌমুহনী ও ধর্মঘর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৫টি ঘুঘু, ৫টি শালিক ও ২টি ডাহুক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিকারি সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।

‎‘পাখি প্রেমিক সোসাইটি’র সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে বন্য পাখি রক্ষায় কাজ করছি। ঝুঁকি নিয়েও পাখি উদ্ধার করে বন বিভাগে হস্তান্তর করি। অনেক সময় কাজের স্বীকৃতি না পেলেও আমরা নিঃস্বার্থভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”

‎বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাবরিনা সাইদা শিমু বলেন, “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পাখি শিকার বা আটক রাখা দণ্ডনীয় অপরাধ। বন্যপ্রাণী রক্ষায় অভিযান চলমান থাকবে।”

‎বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, “বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”