ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদক মুক্তির মিছিল কি শুধুই লোক দেখানো ছিল? পূবাইল খিলগাঁও বাসীর প্রশ্ন?

কিছুদিন আগেও গাজীপুরের পূবাইল থানাধীন খিলগাঁও ৪১ নং ওয়ার্ডের রাস্তায় মিছিল ছিল। হাতে ব্যানার ছিল “মাদক মুক্ত ওয়ার্ড চাই” চুরি ছিনতাই বন্ধ করো।

এলাকার স্কুল-কলেজের ছাত্র, মুরুব্বি, দোকানদার সবাই এক হয়েছিল। প্রশাসনও আশ্বাস দিয়েছিল। প্রায় ১৫-২০ দিন এলাকা মোটামুটি শান্তও ছিল।

কিন্তু এখন?
আবার সেই আগের রূপ। রাত ৯টার পর গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে নেশা। সন্ধ্যার পর চুরি-ছিনতাই। বাচ্চা-মেয়েরা পর্যন্ত ভয়ে বের হয় না।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, এখন মাদক অন্য গ্রাম থেকে এনে আমাদের ওয়ার্ডেই সেবন করা হয়। চুরি-ছিনতাই করে ধরা পড়লেও বিচার হয় না।”_

_ওয়ার্ডে কোনো বিচার-সালিশ বসলে ন্যায়-অন্যায় দেখা হয় না। আগে ঠিক করা হয় কত টাকা পকেটে আসবে। গরিব অসহায় মানুষ বিচার চাইতে গিয়ে আরও নিঃস্ব হয়ে ফিরে আসে। টাকা যার, বিচার তার।” অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন একটাই – “সেই প্রতিবাদ করা সামাজিক মানুষগুলা কোথায়?”
যারা মাইক হাতে প্রতিবাদ করেছিল, মিটিং করেছিল, তারা এখন নীরব কেন?
“আমরা আবার রাস্তায় নামতে চাই। কিন্তু নেতৃত্ব কে দিবে?” – ক্ষোভের সাথে বলেন একাধিক বাসিন্দা।

৪ দফা দাবি:
1. ৪১ নং ওয়ার্ডকে দ্রুত “মাদক ও চুরি মুক্ত” ঘোষণা করতে হবে
2. রাতের বেলা নিয়মিত পুলিশি টহল বাড়াতে হবে
3. ওয়ার্ডের বিচার-সালিশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। টাকার বিনিময়ে বিচার বন্ধ করতে হবে
4. যারা প্রতিবাদের নেতৃত্ব দিয়েছিল তাদের আবার সামনে এসে দায়িত্ব নিতে হবে

এলাকাবাসী প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের জোর দাবি জানাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মাদক মুক্তির মিছিল কি শুধুই লোক দেখানো ছিল? পূবাইল খিলগাঁও বাসীর প্রশ্ন?

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

কিছুদিন আগেও গাজীপুরের পূবাইল থানাধীন খিলগাঁও ৪১ নং ওয়ার্ডের রাস্তায় মিছিল ছিল। হাতে ব্যানার ছিল “মাদক মুক্ত ওয়ার্ড চাই” চুরি ছিনতাই বন্ধ করো।

এলাকার স্কুল-কলেজের ছাত্র, মুরুব্বি, দোকানদার সবাই এক হয়েছিল। প্রশাসনও আশ্বাস দিয়েছিল। প্রায় ১৫-২০ দিন এলাকা মোটামুটি শান্তও ছিল।

কিন্তু এখন?
আবার সেই আগের রূপ। রাত ৯টার পর গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে নেশা। সন্ধ্যার পর চুরি-ছিনতাই। বাচ্চা-মেয়েরা পর্যন্ত ভয়ে বের হয় না।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, এখন মাদক অন্য গ্রাম থেকে এনে আমাদের ওয়ার্ডেই সেবন করা হয়। চুরি-ছিনতাই করে ধরা পড়লেও বিচার হয় না।”_

_ওয়ার্ডে কোনো বিচার-সালিশ বসলে ন্যায়-অন্যায় দেখা হয় না। আগে ঠিক করা হয় কত টাকা পকেটে আসবে। গরিব অসহায় মানুষ বিচার চাইতে গিয়ে আরও নিঃস্ব হয়ে ফিরে আসে। টাকা যার, বিচার তার।” অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন একটাই – “সেই প্রতিবাদ করা সামাজিক মানুষগুলা কোথায়?”
যারা মাইক হাতে প্রতিবাদ করেছিল, মিটিং করেছিল, তারা এখন নীরব কেন?
“আমরা আবার রাস্তায় নামতে চাই। কিন্তু নেতৃত্ব কে দিবে?” – ক্ষোভের সাথে বলেন একাধিক বাসিন্দা।

৪ দফা দাবি:
1. ৪১ নং ওয়ার্ডকে দ্রুত “মাদক ও চুরি মুক্ত” ঘোষণা করতে হবে
2. রাতের বেলা নিয়মিত পুলিশি টহল বাড়াতে হবে
3. ওয়ার্ডের বিচার-সালিশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। টাকার বিনিময়ে বিচার বন্ধ করতে হবে
4. যারা প্রতিবাদের নেতৃত্ব দিয়েছিল তাদের আবার সামনে এসে দায়িত্ব নিতে হবে

এলাকাবাসী প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের জোর দাবি জানাচ্ছে।