কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ৪নং ঘোগাদহ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত এবং জনবান্ধব মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তরুণ সমাজসেবক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী *মো. মমিনুল ইসলাম (মামুন)। তিনি বর্তমানে **জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা আহবায়ক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের* দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিনের সমাজসেবা ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় মানুষের সুখে-দুঃখে অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন।
*রাজনৈতিক দর্শন: প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতি ও ইনসাফের অঙ্গীকার*
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মূল দর্শনের ভিত্তিতে মমিনুল ইসলাম (মামুন) এমন এক রাজনীতির স্বপ্ন দেখেন, যেখানে ‘প্রতিহিংসা’ বা ‘দলাদলি’র কোনো স্থান নেই। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি একটি সমাজকে স্থবির করে দেয়, আর ইনসাফের রাজনীতি সমাজকে আলোর পথে নিয়ে যায়। মমিনুল ইসলামের কথায়, “রাজনীতি হতে হবে মানুষের কল্যাণে, কাউকে ছোট করার হাতিয়ার হিসেবে নয়। আমি প্রতিহিংসার বৃত্ত ভেঙে সাম্য ও ইনসাফের ভিত্তিতে ইউনিয়ন গড়তে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নির্ভয়ে নিজের কথা বলতে পারবে এবং ন্যায্য অধিকার পাবে।”
তার রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য হলো—‘জনগণের জন্য ইনসাফ, কারো ওপর জুলুম নয়’। তিনি মনে করেন, একটি ইউনিয়ন পরিষদে যখন আইনের শাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়, তখনই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়।
*সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবায় অঙ্গীকার*
এনসিপি’র রাজনৈতিক দর্শনকে ধারণ করে মমিনুল ইসলাম (মামুন) তার নির্বাচনী ইশতেহারে যে বিশেষ লক্ষ্যগুলো নির্ধারণ করেছেন:
* *মাদক ও বাল্যবিবাহমুক্ত ইউনিয়ন:* তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ এবং বাল্যবিবাহ নির্মূলে ইউনিয়নজুড়ে সামাজিক ও নৈতিক আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি।
* *ইনসাফভিত্তিক উন্নয়ন:* উন্নয়নের নামে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা দলের আধিপত্য নয়, বরং প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও বৈষম্যহীন উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
* *প্রতিহিংসামুক্ত সেবা কার্যক্রম:* ইউনিয়ন পরিষদকে সকল প্রকার হয়রানি ও প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত রাখা। সরকারি ভাতা, অনুদান ও আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে ‘যোগ্যতা’ ও ‘প্রয়োজনীয়তা’ হবে একমাত্র মাপকাঠি, দলীয় পরিচয় নয়।
* *শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ:* মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মানুষের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ পুনর্গঠনে কাজ করা।
*জনসাধারণের প্রত্যাশা*
স্থানীয়দের মতে, মমিনুল ইসলাম (মামুন) এমন একজন নেতা যিনি ঘৃণা ও প্রতিহিংসাকে তুচ্ছ করে মানুষকে কাছে টানতে জানেন। তার মধ্যে যে ইনসাফ ও ন্যায়পরায়ণতার গুণাবলি রয়েছে, তা ঘোগাদহ ইউনিয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। এলাকাবাসী মনে করছেন, তার এই ইতিবাচক মানসিকতা ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও স্থিতিশীল ও জনবান্ধব করবে।
*চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মমিনুল ইসলাম (মামুন)-এর বক্তব্য*
“সম্মানিত ঘোগাদহ ইউনিয়নবাসী, আসসালামু আলাইকুম। আমার কাছে রাজনীতি কোনো পেশা নয়, বরং মানুষের অধিকার আদায়ের একটি পবিত্র মাধ্যম। আমরা যুগ যুগ ধরে প্রতিহিংসার রাজনীতির ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। আজ সময় এসেছে সেই গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আসার। আমার কাছে প্রত্যেক নাগরিক সমান। ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আমার প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমার ইউনিয়ন পরিষদ হবে এমন এক শান্তির নীড়, যেখানে কোনো গরিব মানুষ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না, আর কোনো সাধারণ মানুষ কারো প্রতিহিংসার শিকার হবে না। আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন চাই, যাতে আমরা একে অপরের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সুন্দর, সুখী ও প্রতিহিংসামুক্ত ঘোগাদহ গড়ে তুলতে পারি। আল্লাহ আমাদের এই সৎ প্রচেষ্টায় সহায় হোন।”
স্টাফ রিপোর্টার হাসান মাহমুদ জয় | কুড়িগ্রাম 



















