ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাটিতে পুতে রাখা ২৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

 

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মুন্দা মাঝের গ্রামে প্রায় ২৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে চুরি হওয়া অধিকাংশ স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে গাংনী থানায় পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন মুন্দা মাঝের গ্রামের বাসিন্দা মোছা. নার্গিস বানু (৪৬)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী ছেলে মো. শাহীনের নির্মাণাধীন বাড়িতে টাইলসের কাজ চলছিল। বাড়িতে বাইরের শ্রমিক থাকায় নিজের ও দুই মেয়ের ব্যবহৃত প্রায় ১১ ভরি ১৪ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ২৯ লাখ ৬ হাজার ২৫০ টাকা, একটি প্লাস্টিকের পাত্রে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় বাড়ির উঠানের দরজার সিঁড়ির পাশে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখেন তিনি।

গত ৫ জুলাই বিকেলে টাইলস মিস্ত্রিরা চলে যাওয়ার পর মাটি খোঁড়া দেখতে পেয়ে সেখানে রাখা স্বর্ণালংকার খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি ছেলেকে জানান। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, টাইলসের কাজ করা দুই মিস্ত্রি মাটি খুঁড়ে স্বর্ণালংকার বের করে নিয়ে যায়।

সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দুই মিস্ত্রি—কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের মোমিন খান (৩৬) ও আলাল (২২)-কে শনাক্ত করা হয়।

পরে গাংনী থানা ও বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে আলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী এবং ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কলেজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক মোমিন খানের শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি হওয়া ২টি নেকলেস, ৩ জোড়া কানের দুল, ১টি বেসলেট, ৩টি চেইন, ১টি লকেট, ৭টি বালা ও ১টি বেঙ্গল বালা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তার এবং অবশিষ্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মাটিতে পুতে রাখা ২৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

 

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মুন্দা মাঝের গ্রামে প্রায় ২৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে চুরি হওয়া অধিকাংশ স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে গাংনী থানায় পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন মুন্দা মাঝের গ্রামের বাসিন্দা মোছা. নার্গিস বানু (৪৬)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী ছেলে মো. শাহীনের নির্মাণাধীন বাড়িতে টাইলসের কাজ চলছিল। বাড়িতে বাইরের শ্রমিক থাকায় নিজের ও দুই মেয়ের ব্যবহৃত প্রায় ১১ ভরি ১৪ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ২৯ লাখ ৬ হাজার ২৫০ টাকা, একটি প্লাস্টিকের পাত্রে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় বাড়ির উঠানের দরজার সিঁড়ির পাশে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখেন তিনি।

গত ৫ জুলাই বিকেলে টাইলস মিস্ত্রিরা চলে যাওয়ার পর মাটি খোঁড়া দেখতে পেয়ে সেখানে রাখা স্বর্ণালংকার খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি ছেলেকে জানান। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, টাইলসের কাজ করা দুই মিস্ত্রি মাটি খুঁড়ে স্বর্ণালংকার বের করে নিয়ে যায়।

সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দুই মিস্ত্রি—কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া বারাদি গ্রামের মোমিন খান (৩৬) ও আলাল (২২)-কে শনাক্ত করা হয়।

পরে গাংনী থানা ও বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে আলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী এবং ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কলেজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক মোমিন খানের শ্বশুরবাড়ি থেকে চুরি হওয়া ২টি নেকলেস, ৩ জোড়া কানের দুল, ১টি বেসলেট, ৩টি চেইন, ১টি লকেট, ৭টি বালা ও ১টি বেঙ্গল বালা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তার এবং অবশিষ্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।