ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহ নান্দাইলের হত্যা মামলার বাদীকে, অন্য হত্যা মামলার ফাঁসিয়ে ব্যাপাক হয়রানির অভিযোগ।

ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলাধীন শেরপুর ইউনিয়নের আঃ জলিল হত্যা মামলার বাদী কে অন্য হত্যা মামলার ফাঁসিয়ে ব্যাপাক হয়রানির অভিযোগ এলাকাবাসীর। সূত্রে জানা যায় গত ৭/১/২৪ ইং তারিখ বিকাল প্রায় ৩ টা দিকে মাদারী নগর ইমাম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে কেন্দ্রের সামনে আসার সাথে সাথে একই গ্রামের মৃত আঃ হাই এর ছেলে মোঃ আবুল কালাম (৫৫) তার অনুসারী লোকজন,দেশী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে পূর্বের পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে। এসময় আঃ জলিল ও তার ভাই আঃ রহমান গুরুত আহত হয়। এমতঅবস্থায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সে খান কার কর্মরত ডাঃ রোগীর অবস্থা শোচনীয় দেখে উন্নত চিকিৎসা জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।সে খান কার কর্মরত ডাঃ রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালের রেফার্ড করেন এবং সে খানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়? এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আহত আঃ জলিল এর ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ১৯/১/২৪ ইং তারিখে নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন তারই প্রতিপক্ষ মোঃ আবুল কালাম সহ ১৮ জন নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৪/৫ কে আসামি করে মামলা করেন। যাহার নান্দাইল মডেল থানার মামলা নং ১৫/১৫ এদিকে মামলার আসামি গণ অনেকেই মামলার হাজির হয়ে। বাড়িতে চলে আসে। পরে ২৮/১/২৪ ইং তারিখে গুরুত্ব আহত আঃ জলিল ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন। এই নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে মৃতক আঃ জলিল নৌকা প্রতীকের সমর্থনকারী ছিল।এর জের ধরে তাদের প্রতিপক্ষ লোকজন এই ঘটনাটি ঘটেছে নির্বাচনের দিন। এ ব্যাপারে ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ ও মৃতক এর স্ত্রী বিলকিছ আক্তার সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী গণের এক প্রশ্ন জবাবে, চিৎকার করে বলেন, আমরা স্বামী-হত্যার বিচার চাই, অপরাধীদের ফাঁসি চাই, এ ব্যাপারে জেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন সহ সরকারের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য চাই। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবজির দাম চড়া, অস্থির ডিমের বাজার

ময়মনসিংহ নান্দাইলের হত্যা মামলার বাদীকে, অন্য হত্যা মামলার ফাঁসিয়ে ব্যাপাক হয়রানির অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০২:০১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলাধীন শেরপুর ইউনিয়নের আঃ জলিল হত্যা মামলার বাদী কে অন্য হত্যা মামলার ফাঁসিয়ে ব্যাপাক হয়রানির অভিযোগ এলাকাবাসীর। সূত্রে জানা যায় গত ৭/১/২৪ ইং তারিখ বিকাল প্রায় ৩ টা দিকে মাদারী নগর ইমাম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে কেন্দ্রের সামনে আসার সাথে সাথে একই গ্রামের মৃত আঃ হাই এর ছেলে মোঃ আবুল কালাম (৫৫) তার অনুসারী লোকজন,দেশী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে পূর্বের পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে। এসময় আঃ জলিল ও তার ভাই আঃ রহমান গুরুত আহত হয়। এমতঅবস্থায় আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সে খান কার কর্মরত ডাঃ রোগীর অবস্থা শোচনীয় দেখে উন্নত চিকিৎসা জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।সে খান কার কর্মরত ডাঃ রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালের রেফার্ড করেন এবং সে খানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়? এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আহত আঃ জলিল এর ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ১৯/১/২৪ ইং তারিখে নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন তারই প্রতিপক্ষ মোঃ আবুল কালাম সহ ১৮ জন নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৪/৫ কে আসামি করে মামলা করেন। যাহার নান্দাইল মডেল থানার মামলা নং ১৫/১৫ এদিকে মামলার আসামি গণ অনেকেই মামলার হাজির হয়ে। বাড়িতে চলে আসে। পরে ২৮/১/২৪ ইং তারিখে গুরুত্ব আহত আঃ জলিল ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন। এই নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে মৃতক আঃ জলিল নৌকা প্রতীকের সমর্থনকারী ছিল।এর জের ধরে তাদের প্রতিপক্ষ লোকজন এই ঘটনাটি ঘটেছে নির্বাচনের দিন। এ ব্যাপারে ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ ও মৃতক এর স্ত্রী বিলকিছ আক্তার সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী গণের এক প্রশ্ন জবাবে, চিৎকার করে বলেন, আমরা স্বামী-হত্যার বিচার চাই, অপরাধীদের ফাঁসি চাই, এ ব্যাপারে জেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন সহ সরকারের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য চাই। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।