ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাএদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মাইনুল ইসলামের বাসায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি মুলকভাবে তল্লাশি করায় কেন্দ্রীয় যুবদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এর আর মামুন খান এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন,

মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাএদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মাইনুল ইসলামের বাসায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি মুলকভাবে তল্লাশি করায় কেন্দ্রীয় যুবদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এর আর মামুন খান এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন,

ত্যাগীরা হারিয়ে যেতে চায় না তথাকথিত রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ষড়যন্ত্রেই তারা হারিয়ে যায়।মঠবাড়িয়া উপজেলার সাবেক ছাত্রদল সভাপতি মাইনুল ইসলামকে নিয়ে কিছু কথা।একজন নিবেদিতপ্রাণ ছাত্রদল নেতাকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ার জন্য কিছু দলীয় নামধারী দুর্বৃত্তই যথেষ্ট—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক বাস্তবতা।
আমি মাইনুলের দুই বছরের সিনিয়র। স্কুলজীবন থেকেই তাকে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে দেখেছি। তার বড় ও ছোট দুই ভাই-ই শিক্ষিত এবং ভালো অবস্থানে আছেন। কিন্তু শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে মাইনুল আজও প্রত্যন্ত এলাকায় অবহেলিত জীবনযাপন করছেন।
ছাত্রদলের উপজেলা সভাপতি হওয়ার কারণে সময়মতো তার বিয়েও হয়নি। অনেক পরিবার রাজনৈতিক পরিচয় শুনে বিয়েতে রাজি হতো না। শেষ পর্যন্ত অনেক দেরিতে তিনি বিয়ে করতে সক্ষম হন।
২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে যখন অনেক নেতা আত্মগোপনে ছিলেন, তখন মাইনুল মাঠে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সময় আমার নিজের ভূমিকাও কি ছিল তা মাইনুল ভালো বলতে পারবে। আমার সেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে আমার বাবার বিরুদ্ধে বোমা হামলার মামলায় জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

মাইনুলের নামে ১৮টি মামলা রয়েছে। অথচ আজও তার পরিবার মূলত দুই ভাইয়ের সহযোগিতায় চলে। যদি তার বিরুদ্ধে যেসব অবৈধ আয়ের অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলো সত্য হতো, তাহলে তার পরিবারের এমন কষ্টে দিন কাটানোর কথা নয়।

গতকাল প্রশাসনের লোকজন তার বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে তিনি ৫ আগস্টের পর অবৈধ আয় করেছেন ও অস্ত্র রেখেছেন। অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তবে কারও বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

যদি সত্যিই কোনো তথাকথিত দলীয় নেতা ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে এমন তথ্য দিয়ে থাকেন, তাহলে তাদের প্রতি আমার আহ্বান—ত্যাগী কর্মীদের সম্মান করুন। যারা দলের দুঃসময়ে পাশে থেকেছে, তাদের হয়রানি না করে মূল্যায়ন করুন।

একজন মাইনুলকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়তো সহজ, কিন্তু তার মতো ত্যাগী কর্মী তৈরি করা মোটেও সহজ নয়। ইতিহাস সবকিছুর বিচার একদিন করবে।

মাইনুল ইসলামের রাজনৈতিক অর্জনই তাঁর ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রমাণ।
তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—

* সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মঠবাড়িয়া উপজেলা।
* সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মঠবাড়িয়া উপজেলা।
* সাবেক যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক, পিরোজপুর জেলা যুবদল।
* সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা।
* সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ।
* সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ।
* সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কে. এম. লতীফ ইনস্টিটিউশন।

প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে ছাত্ররাজনীতি ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে তিনি অসংখ্য মামলা, নির্যাতন ও ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবুও তিনি রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। একজন ত্যাগী কর্মীর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা অবশ্যই সম্মানের দাবিদার।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাএদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মাইনুল ইসলামের বাসায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি মুলকভাবে তল্লাশি করায় কেন্দ্রীয় যুবদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এর আর মামুন খান এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন,

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাএদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মাইনুল ইসলামের বাসায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি মুলকভাবে তল্লাশি করায় কেন্দ্রীয় যুবদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এর আর মামুন খান এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন,

ত্যাগীরা হারিয়ে যেতে চায় না তথাকথিত রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ষড়যন্ত্রেই তারা হারিয়ে যায়।মঠবাড়িয়া উপজেলার সাবেক ছাত্রদল সভাপতি মাইনুল ইসলামকে নিয়ে কিছু কথা।একজন নিবেদিতপ্রাণ ছাত্রদল নেতাকে রাজনৈতিকভাবে শেষ করে দেওয়ার জন্য কিছু দলীয় নামধারী দুর্বৃত্তই যথেষ্ট—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক বাস্তবতা।
আমি মাইনুলের দুই বছরের সিনিয়র। স্কুলজীবন থেকেই তাকে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে দেখেছি। তার বড় ও ছোট দুই ভাই-ই শিক্ষিত এবং ভালো অবস্থানে আছেন। কিন্তু শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে মাইনুল আজও প্রত্যন্ত এলাকায় অবহেলিত জীবনযাপন করছেন।
ছাত্রদলের উপজেলা সভাপতি হওয়ার কারণে সময়মতো তার বিয়েও হয়নি। অনেক পরিবার রাজনৈতিক পরিচয় শুনে বিয়েতে রাজি হতো না। শেষ পর্যন্ত অনেক দেরিতে তিনি বিয়ে করতে সক্ষম হন।
২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে যখন অনেক নেতা আত্মগোপনে ছিলেন, তখন মাইনুল মাঠে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সময় আমার নিজের ভূমিকাও কি ছিল তা মাইনুল ভালো বলতে পারবে। আমার সেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে আমার বাবার বিরুদ্ধে বোমা হামলার মামলায় জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

মাইনুলের নামে ১৮টি মামলা রয়েছে। অথচ আজও তার পরিবার মূলত দুই ভাইয়ের সহযোগিতায় চলে। যদি তার বিরুদ্ধে যেসব অবৈধ আয়ের অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলো সত্য হতো, তাহলে তার পরিবারের এমন কষ্টে দিন কাটানোর কথা নয়।

গতকাল প্রশাসনের লোকজন তার বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে তিনি ৫ আগস্টের পর অবৈধ আয় করেছেন ও অস্ত্র রেখেছেন। অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তবে কারও বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

যদি সত্যিই কোনো তথাকথিত দলীয় নেতা ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে এমন তথ্য দিয়ে থাকেন, তাহলে তাদের প্রতি আমার আহ্বান—ত্যাগী কর্মীদের সম্মান করুন। যারা দলের দুঃসময়ে পাশে থেকেছে, তাদের হয়রানি না করে মূল্যায়ন করুন।

একজন মাইনুলকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়তো সহজ, কিন্তু তার মতো ত্যাগী কর্মী তৈরি করা মোটেও সহজ নয়। ইতিহাস সবকিছুর বিচার একদিন করবে।

মাইনুল ইসলামের রাজনৈতিক অর্জনই তাঁর ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রমাণ।
তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—

* সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মঠবাড়িয়া উপজেলা।
* সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মঠবাড়িয়া উপজেলা।
* সাবেক যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক, পিরোজপুর জেলা যুবদল।
* সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা।
* সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ।
* সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ।
* সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কে. এম. লতীফ ইনস্টিটিউশন।

প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে ছাত্ররাজনীতি ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে তিনি অসংখ্য মামলা, নির্যাতন ও ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবুও তিনি রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। একজন ত্যাগী কর্মীর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা অবশ্যই সম্মানের দাবিদার।