ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাস্কর্যে একুশে পদক পেলেন গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান তেজস হালদার যশ

ভাস্কর্যে একুশে পদক পেলেন গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান তেজস হালদার যশ

ভাস্কর্য শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান তেজস হালদার যশ। রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা প্রাপ্তির এ খবরে জেলায় আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।

তেজস হালদার যশ ৪ জুলাই ১৯৮২ সালে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব ও কৈশোরে শিক্ষাজীবন শুরু করেন ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল বোর্ডিং স্কুলে। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ (তৎকালীন চারুকলা ইনস্টিটিউট) থেকে ভাস্কর্য বিষয়ে বিএফএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ২০১০ সালে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে এমএফএ সম্পন্ন করেন।

দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রদর্শনী ও শিল্পচর্চার মাধ্যমে ভাস্কর্য শিল্পে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন তিনি। শিল্পকর্মে নান্দনিকতা, আধুনিক চিন্তাভাবনা এবং সৃজনশীল উপস্থাপনার জন্য তিনি ইতোমধ্যে শিল্পাঙ্গনে সুপরিচিত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, গোপালগঞ্জের সন্তান হিসেবে তার এই অর্জন জেলার জন্য গর্বের। তরুণ প্রজন্মের জন্য তিনি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন বলে মনে করছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা।
একুশে পদক অর্জনের মাধ্যমে তেজস হালদার যশ কেবল নিজ জেলা নয়, বরং দেশের শিল্পাঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিরিজ বাঁচাতে মাঠে নামার আগেই বড় দুঃসংবাদ পাকিস্তানের

ভাস্কর্যে একুশে পদক পেলেন গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান তেজস হালদার যশ

আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভাস্কর্য শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান তেজস হালদার যশ। রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা প্রাপ্তির এ খবরে জেলায় আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।

তেজস হালদার যশ ৪ জুলাই ১৯৮২ সালে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব ও কৈশোরে শিক্ষাজীবন শুরু করেন ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল বোর্ডিং স্কুলে। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ (তৎকালীন চারুকলা ইনস্টিটিউট) থেকে ভাস্কর্য বিষয়ে বিএফএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ২০১০ সালে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে এমএফএ সম্পন্ন করেন।

দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রদর্শনী ও শিল্পচর্চার মাধ্যমে ভাস্কর্য শিল্পে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন তিনি। শিল্পকর্মে নান্দনিকতা, আধুনিক চিন্তাভাবনা এবং সৃজনশীল উপস্থাপনার জন্য তিনি ইতোমধ্যে শিল্পাঙ্গনে সুপরিচিত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, গোপালগঞ্জের সন্তান হিসেবে তার এই অর্জন জেলার জন্য গর্বের। তরুণ প্রজন্মের জন্য তিনি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন বলে মনে করছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা।
একুশে পদক অর্জনের মাধ্যমে তেজস হালদার যশ কেবল নিজ জেলা নয়, বরং দেশের শিল্পাঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।