ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাণ্ডারিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

 

 

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে কোচিংয়ে যুক্ত সহকারী শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগও করেছেন শিক্ষকরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি লিয়াকত আলী তালুকদারের করা একটি মামলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওপর দেওয়া হয়। অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, ওই তদন্তে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নথি ও তদন্ত প্রতিবেদনের সত্যতা অধিকতর যাচাই করা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমান তদন্তকালে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি বলে জানা গেছে। তবে তিনি জানান, প্রশাসনিক তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমেই অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা নির্ধারণ করা হবে।

ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান বলেন, শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগ এবং সরেজমিন তদন্তে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো. সিফাতুল্লাহ
ভাণ্ডারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলার সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ভাণ্ডারিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ০৬:২৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

 

 

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে কোচিংয়ে যুক্ত সহকারী শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগও করেছেন শিক্ষকরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি লিয়াকত আলী তালুকদারের করা একটি মামলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওপর দেওয়া হয়। অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, ওই তদন্তে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নথি ও তদন্ত প্রতিবেদনের সত্যতা অধিকতর যাচাই করা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমান তদন্তকালে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি বলে জানা গেছে। তবে তিনি জানান, প্রশাসনিক তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমেই অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা নির্ধারণ করা হবে।

ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান বলেন, শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগ এবং সরেজমিন তদন্তে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো. সিফাতুল্লাহ
ভাণ্ডারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলার সংবাদ