ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়: দ্বিতীয় বিয়ের দাবি এমপি গাজী নজরুলের, সমর্থনে দুই স্ত্রী ও শ্বশুর, তদন্ত দাবি

 

একটি ভাইরাল ভিডিও। এরপর মুহূর্তেই দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা, বিতর্ক, সমালোচনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জন। সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে এক তরুণীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তে দেখা যাওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় নানা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। কেউ একে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বলে প্রচার করেন, আবার কেউ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন।

তবে ভিডিও প্রকাশের পর একে একে মুখ খুলেছেন গাজী নজরুল ইসলাম, ভিডিওতে থাকা তরুণী মরিয়ম বেগম, তার বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ, এমপির প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল নেতারা। তাদের সবার বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু একটিই, ভিডিওতে থাকা তরুণী গাজী নজরুল ইসলামের বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী এবং ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত লিখিত বিবৃতিতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং তার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমে মরিয়ম বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তাই ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক হিসেবে প্রচার করা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিনি জানান, গত ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ বাইরে গিয়ে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করেন।

তার অভিযোগ, ওই ব্যক্তিরা তাদের জিম্মি করে এক লাখ টাকা আদায় করে এবং ব্যবহৃত ভাড়ার গাড়িটি আটকে রেখে আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।
গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বের পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই পুরো ঘটনার পরিকল্পনা করা হয়। পরে তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

তিনি এ ঘটনাকে নিজের সামাজিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

ভিডিওতে থাকা তরুণী মরিয়ম বেগমও প্রকাশ্যে এসে বলেন, “উনি আমার স্বামী। আমাদের বিয়ে হয়েছে। সেদিন আমরা ঘুরতে গিয়ে আমার বাবার অফিসে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম।”

আরও জানান, চলতি বছর তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, তিন লাখ টাকা দেনমোহরে গত ১৭ জুন তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়।
তার ভাষ্য, ঘটনার দিন তারা তার মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তার অফিসের সহকারী ওবায়দুল্লাহ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

ভাইরাল ভিডিও নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম একটি ভিডিওবার্তায় বলেন, “আমার স্বামী গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়ম বেগমের বৈধ বিবাহ হয়েছে। এটি নিয়ে যারা কুৎসা রটাচ্ছে, আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ না হলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।”

প্রথম স্ত্রীর এই বক্তব্যের পর ভিডিওটিকে ঘিরে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে। ভিডিওটি কীভাবে এবং কার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি।”

তিনি আরও বলেন, বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ তার জানা না থাকলেও দল জেনেছে, বেশ কিছুদিন আগেই বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে।

এমপি গাজী নজরুল ইসলামের অভিযোগ, ব্যক্তিগত শত্রুতা, চাঁদাবাজি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনার সূত্রপাত। তার দাবি, ভিডিওটি ইচ্ছাকৃতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

অন্যদিকে ভিডিও প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, রাজনৈতিক নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার মতো বিষয়গুলোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা এবং জেলা জামায়াতের বক্তব্য একই অবস্থানে রয়েছে। তাদের দাবি, মরিয়ম বেগম তার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী এবং ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সত্য নয়।

তবে ভিডিওটি কীভাবে ধারণ করা হয়েছে, কারা এটি প্রকাশ করেছে, জিম্মি ও চাঁদাবাজির অভিযোগের বাস্তবতা কী এবং পুরো ঘটনার প্রকৃত নেপথ্য কী, সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর মিলবে তদন্তের পরই। এরই মধ্যে ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়: দ্বিতীয় বিয়ের দাবি এমপি গাজী নজরুলের, সমর্থনে দুই স্ত্রী ও শ্বশুর, তদন্ত দাবি

আপডেট সময় : ০৯:০৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

 

একটি ভাইরাল ভিডিও। এরপর মুহূর্তেই দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা, বিতর্ক, সমালোচনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জন। সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে এক তরুণীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তে দেখা যাওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় নানা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। কেউ একে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বলে প্রচার করেন, আবার কেউ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন।

তবে ভিডিও প্রকাশের পর একে একে মুখ খুলেছেন গাজী নজরুল ইসলাম, ভিডিওতে থাকা তরুণী মরিয়ম বেগম, তার বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ, এমপির প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল নেতারা। তাদের সবার বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু একটিই, ভিডিওতে থাকা তরুণী গাজী নজরুল ইসলামের বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী এবং ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত লিখিত বিবৃতিতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং তার প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমে মরিয়ম বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তাই ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক হিসেবে প্রচার করা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিনি জানান, গত ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ বাইরে গিয়ে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করেন।

তার অভিযোগ, ওই ব্যক্তিরা তাদের জিম্মি করে এক লাখ টাকা আদায় করে এবং ব্যবহৃত ভাড়ার গাড়িটি আটকে রেখে আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।
গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বের পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই পুরো ঘটনার পরিকল্পনা করা হয়। পরে তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

তিনি এ ঘটনাকে নিজের সামাজিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

ভিডিওতে থাকা তরুণী মরিয়ম বেগমও প্রকাশ্যে এসে বলেন, “উনি আমার স্বামী। আমাদের বিয়ে হয়েছে। সেদিন আমরা ঘুরতে গিয়ে আমার বাবার অফিসে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম।”

আরও জানান, চলতি বছর তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, তিন লাখ টাকা দেনমোহরে গত ১৭ জুন তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়।
তার ভাষ্য, ঘটনার দিন তারা তার মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তার অফিসের সহকারী ওবায়দুল্লাহ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

ভাইরাল ভিডিও নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম একটি ভিডিওবার্তায় বলেন, “আমার স্বামী গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়ম বেগমের বৈধ বিবাহ হয়েছে। এটি নিয়ে যারা কুৎসা রটাচ্ছে, আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ না হলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।”

প্রথম স্ত্রীর এই বক্তব্যের পর ভিডিওটিকে ঘিরে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, “এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে। ভিডিওটি কীভাবে এবং কার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি।”

তিনি আরও বলেন, বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ তার জানা না থাকলেও দল জেনেছে, বেশ কিছুদিন আগেই বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে।

এমপি গাজী নজরুল ইসলামের অভিযোগ, ব্যক্তিগত শত্রুতা, চাঁদাবাজি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনার সূত্রপাত। তার দাবি, ভিডিওটি ইচ্ছাকৃতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

অন্যদিকে ভিডিও প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, রাজনৈতিক নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার মতো বিষয়গুলোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা এবং জেলা জামায়াতের বক্তব্য একই অবস্থানে রয়েছে। তাদের দাবি, মরিয়ম বেগম তার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী এবং ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সত্য নয়।

তবে ভিডিওটি কীভাবে ধারণ করা হয়েছে, কারা এটি প্রকাশ করেছে, জিম্মি ও চাঁদাবাজির অভিযোগের বাস্তবতা কী এবং পুরো ঘটনার প্রকৃত নেপথ্য কী, সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর মিলবে তদন্তের পরই। এরই মধ্যে ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।