ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাওরের পানি বৃদ্ধি, ৩শ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে / ক্ষতির মুখে কৃষক

অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মেদির হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নতুন করে আরো ২০০ হেক্টর এর উপরে বোরো ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ হেক্টর পাকা ধানের জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এতে কষ্টে ফলানো সোনালী ফসল পানির নিচে তলিয়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। ফসল বাঁচাতে প্রতিদিনই তারা বাড়তি খরচ গুনে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে ছুটছেন। তবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কোথাও বুক পানি আবার কোথাও কোমর পানিতে নেমে ধান কাটতে হচ্ছে। আবার যেসব ধান কাটা হচ্ছে সেসব রোদের অভাবে শুকাতে না পেরে নষ্ট হওয়ার উপক্রম। এমন অবস্থায় বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের।

কৃষকরা জানান, গত দুইদিন ধরে হাওরের পানি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নতুন জমিও তলিয়ে যাচ্ছে। তারা জানান, অধিকাংশ কৃষকরা ধার দেনা সুদের উপরে জমি করেছিলেন। কিন্তু ঢলের কারণে সব হারিয়ে তারা এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে।

কৃষি বিভাগ জানায়, নাসিরনগরের হাওরে চলতি বোরো মৌসুমে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ করা হয়। তবে আগাম পানি আসার আগেই ৭০ শতাংশ ধান কর্তন করা হয়। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে প্রায় ৩০০ হেক্টর ধানি জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। যার মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০ হেক্টর জমির ধান পানির নিচ থেকে কাটা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। বোরো ধান সংগ্রহ মৌসুমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাওরের পানি বৃদ্ধি, ৩শ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে / ক্ষতির মুখে কৃষক

আপডেট সময় : ১২:০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মেদির হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নতুন করে আরো ২০০ হেক্টর এর উপরে বোরো ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ হেক্টর পাকা ধানের জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এতে কষ্টে ফলানো সোনালী ফসল পানির নিচে তলিয়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। ফসল বাঁচাতে প্রতিদিনই তারা বাড়তি খরচ গুনে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে ছুটছেন। তবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কোথাও বুক পানি আবার কোথাও কোমর পানিতে নেমে ধান কাটতে হচ্ছে। আবার যেসব ধান কাটা হচ্ছে সেসব রোদের অভাবে শুকাতে না পেরে নষ্ট হওয়ার উপক্রম। এমন অবস্থায় বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কায় দিন কাটছে তাদের।

কৃষকরা জানান, গত দুইদিন ধরে হাওরের পানি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন নতুন জমিও তলিয়ে যাচ্ছে। তারা জানান, অধিকাংশ কৃষকরা ধার দেনা সুদের উপরে জমি করেছিলেন। কিন্তু ঢলের কারণে সব হারিয়ে তারা এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে।

কৃষি বিভাগ জানায়, নাসিরনগরের হাওরে চলতি বোরো মৌসুমে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ করা হয়। তবে আগাম পানি আসার আগেই ৭০ শতাংশ ধান কর্তন করা হয়। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে প্রায় ৩০০ হেক্টর ধানি জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। যার মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০ হেক্টর জমির ধান পানির নিচ থেকে কাটা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। বোরো ধান সংগ্রহ মৌসুমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।