ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান কাদা, রোদে অসহনীয় তাপ: অবকাঠামোগত উন্নয়নের অপেক্ষায় ডোমার বসুনিয়া গরুর হাট

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বসুনিয়া গরুর হাট দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত নানা সমস্যায় জর্জরিত। বৃষ্টি হলেই হাটজুড়ে হাঁটুসমান কাদার সৃষ্টি হয়, আর তীব্র গরমে পর্যাপ্ত ছাউনির অভাবে ব্যবসায়ী, ক্রেতা, বিক্রেতা ও গবাদিপশু নিয়ে অবস্থান করাও অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাটে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হয় না। ফলে হাটজুড়ে পানি জমে কাদার সৃষ্টি হয় এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের চলাচল ও কেনাবেচা ব্যাহত হয়। তাদের মতে, ড্রেন নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে এ সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব।
বসুনিয়া গরুর হাটের ইজারাদার জহিরুল ইসলাম বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, মাঠ উঁচুকরণ এবং পর্যাপ্ত ছাউনি নির্মাণ করা হলে হাটে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত হবে। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আরও বেশি গরু ক্রেতা ও বিক্রেতা হাটে আসবেন, কেনাবেচা বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
গরু ক্রেতা আক্তারুল ইসলামসহ একাধিক ক্রেতা ও বিক্রেতা জানান, বর্তমান দুর্ভোগের কারণে অনেকেই এই হাটে আসতে অনাগ্রহী। তাই হাটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান কাদা, রোদে অসহনীয় তাপ: অবকাঠামোগত উন্নয়নের অপেক্ষায় ডোমার বসুনিয়া গরুর হাট

আপডেট সময় : ১০:২৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বসুনিয়া গরুর হাট দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত নানা সমস্যায় জর্জরিত। বৃষ্টি হলেই হাটজুড়ে হাঁটুসমান কাদার সৃষ্টি হয়, আর তীব্র গরমে পর্যাপ্ত ছাউনির অভাবে ব্যবসায়ী, ক্রেতা, বিক্রেতা ও গবাদিপশু নিয়ে অবস্থান করাও অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাটে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হয় না। ফলে হাটজুড়ে পানি জমে কাদার সৃষ্টি হয় এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের চলাচল ও কেনাবেচা ব্যাহত হয়। তাদের মতে, ড্রেন নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে এ সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব।
বসুনিয়া গরুর হাটের ইজারাদার জহিরুল ইসলাম বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, মাঠ উঁচুকরণ এবং পর্যাপ্ত ছাউনি নির্মাণ করা হলে হাটে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত হবে। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আরও বেশি গরু ক্রেতা ও বিক্রেতা হাটে আসবেন, কেনাবেচা বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
গরু ক্রেতা আক্তারুল ইসলামসহ একাধিক ক্রেতা ও বিক্রেতা জানান, বর্তমান দুর্ভোগের কারণে অনেকেই এই হাটে আসতে অনাগ্রহী। তাই হাটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।