ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাপের আক্রান্ত এক শিশুকে সুস্থ করে তোলার ঘটনা ঘটেছে হাতিয়া।

 

নোয়াখালীর দুর্গম দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় প্রথমবারের মতো এন্টি স্নেক ভেনম (Anti Snake Venom) প্রয়োগ করে বিষধর সাপের দংশনে আক্রান্ত এক শিশুকে সুস্থ করে তোলার ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, গত ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাপে দংশনের শিকার হয় রাহাত (৮) নামে এক শিশু। পরে রাত ১২টার দিকে তাকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্রোকেন নেক সাইন (Broken Neck Sign) ও প্টোসিস (Ptosis)-এর মতো বিষধর সাপের দংশনের লক্ষণ শনাক্ত করেন। এ সময় শিশুটি অচেতন অবস্থায় ছিল।

এছাড়া ২০ মিনিট ক্লট অবজারভেশন টেস্ট (20 Minute Clot Observation Test) সম্পন্ন করে চিকিৎসকরা নিশ্চিত হন যে রোগীর শরীরে বিষধর সাপের বিষক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UHFPO) এবং আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (RMO)-এর সঙ্গে পরামর্শ করেন। তাদের সার্বিক সহযোগিতা এবং রোগীর বাবার সম্মতিক্রমে শিশুটির শরীরে এন্টি স্নেক ভেনম প্রয়োগ করা হয়।

চিকিৎসা শেষে ধীরে ধীরে শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে এবং সে সুস্থ হয়ে ওঠে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, দুর্গম দ্বীপাঞ্চল হাতিয়ার স্বাস্থ্যসেবার ইতিহাসে এন্টি স্নেক ভেনম প্রয়োগের মাধ্যমে রোগী সুস্থ করে তোলার এটি একটি বিরল এবং প্রথম ঘটনা।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মানসী রানী সরকার সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স, স্যাকমো, স্টোরকিপার, ওয়ার্ড বয় ও আয়াসহ চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও এ ধরনের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

সাপের আক্রান্ত এক শিশুকে সুস্থ করে তোলার ঘটনা ঘটেছে হাতিয়া।

আপডেট সময় : ০১:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

 

নোয়াখালীর দুর্গম দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় প্রথমবারের মতো এন্টি স্নেক ভেনম (Anti Snake Venom) প্রয়োগ করে বিষধর সাপের দংশনে আক্রান্ত এক শিশুকে সুস্থ করে তোলার ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, গত ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাপে দংশনের শিকার হয় রাহাত (৮) নামে এক শিশু। পরে রাত ১২টার দিকে তাকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্রোকেন নেক সাইন (Broken Neck Sign) ও প্টোসিস (Ptosis)-এর মতো বিষধর সাপের দংশনের লক্ষণ শনাক্ত করেন। এ সময় শিশুটি অচেতন অবস্থায় ছিল।

এছাড়া ২০ মিনিট ক্লট অবজারভেশন টেস্ট (20 Minute Clot Observation Test) সম্পন্ন করে চিকিৎসকরা নিশ্চিত হন যে রোগীর শরীরে বিষধর সাপের বিষক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UHFPO) এবং আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (RMO)-এর সঙ্গে পরামর্শ করেন। তাদের সার্বিক সহযোগিতা এবং রোগীর বাবার সম্মতিক্রমে শিশুটির শরীরে এন্টি স্নেক ভেনম প্রয়োগ করা হয়।

চিকিৎসা শেষে ধীরে ধীরে শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে এবং সে সুস্থ হয়ে ওঠে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, দুর্গম দ্বীপাঞ্চল হাতিয়ার স্বাস্থ্যসেবার ইতিহাসে এন্টি স্নেক ভেনম প্রয়োগের মাধ্যমে রোগী সুস্থ করে তোলার এটি একটি বিরল এবং প্রথম ঘটনা।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মানসী রানী সরকার সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স, স্যাকমো, স্টোরকিপার, ওয়ার্ড বয় ও আয়াসহ চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও এ ধরনের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।