ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ বিথী আক্তার (পিতা: কুদ্দুস, মাতা: রহিমা বেগম)-এর বিরুদ্ধে প্রেমের সম্পর্কের আড়ালে অর্থ আত্মসাৎ এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছেন সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের ভাড়েরা মাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রাজন আহমদ।
অভিযোগকারী রাজন আহমেদের দাবি, বিথী আক্তারের সঙ্গে তার প্রায় ৪ থেকে ৬ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে পারস্পরিক বিশ্বাস ও ভবিষ্যতে বিয়ের আশ্বাসের ভিত্তিতে বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনের কথা বলে তার কাছ থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। তিনি অভিযোগ করেন, সম্পর্কের পুরো সময়জুড়ে বিয়ের আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি।
রাজন আহমেদের ভাষ্য, “আমি তাকে নিজের জীবনসঙ্গী হিসেবে বিশ্বাস করেছিলাম। দীর্ঘ ৪ থেকে ৬ বছরের সম্পর্কের পরও আজ তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলাম না। ভালোবাসার মূল্য দেওয়ার পরিবর্তে আমি প্রতারণার শিকার হয়েছি বলে মনে করছি।”
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে বিথী আক্তারের বাবা কুদ্দুস মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সহযোগিতার পরিবর্তে হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, মায়ের সঙ্গে কথা বললে বিয়ের শর্ত হিসেবে নগদ ১০ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগকারী দাবি করেন।
রাজন আহমেদের দাবি, পরবর্তীতে বিথী আক্তার তাকে ঢাকায় যেতে বলেন এবং তার সঙ্গে চলে যাওয়ার আশ্বাস দেন। সেই অনুযায়ী গত ৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার বিকেল প্রায় ৪টার দিকে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দেখা করা হয়নি। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করেন। এতে হতাশ হয়ে তিনি সিলেটে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
এ ঘটনায় রাজন আহমেদ বলেন, “আমি কারও ক্ষতি চাই না। আমি শুধু চাই বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং যদি আমার সঙ্গে অন্যায় হয়ে থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হোক।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিথী আক্তা এর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
মোঃ রাজন আহমদ, স্টাফ রিপোর্ট, 



















