ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বারবার পা মচকে যাচ্ছে? হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি গোড়ালির সমস্যা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • 64

বারবার পা মচকে যাচ্ছে? হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি গোড়ালির সমস্যা

দৌড়ানোর প্রশ্নই নেই—সামান্য একটু জোরে হাঁটলেই পা মচকে যাচ্ছে? আরো অদ্ভুত বিষয় হলো, প্রায় একই জায়গাতেই বারবার এই সমস্যা হচ্ছে। ছোটবেলায় খেলতে গিয়ে যে গোড়ালিতে একবার চোট লেগেছিল, সেই জায়গাতেই যেন বারবার ব্যথা ফিরে আসে। মলম, স্প্রে বা সেঁক দিলে কয়েক দিনের জন্য আরাম মেলে, তখন আলাদা করে পরীক্ষা করানোর কথাও আর মনে থাকে না।

অনেকেই এমন ব্যথাকে তেমন গুরুত্ব দেন না।

তবে চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা, শুরুতেই গুরুত্ব না দিলে ভবিষ্যতে তা গুরুতর রূপ নিতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন

যদি ব্যথা না কমে : সাধারণ টান ধরা বা হালকা মচকানোর ব্যথা বেশিদিন থাকে না। অনেক সময় ঘরোয়া উপায়েই সেরে যায়, আবার ব্যথানাশক মলম বা স্প্রেতেও উপশম মেলে। কিন্তু এসবের পরেও যদি ব্যথা থেকে যায়, তাহলে বিষয়টি আর হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

ফোলাভাব দীর্ঘদিন থাকলে : হঠাৎ জোরে কোথাও ধাক্কা লাগলে বা চোট পেলে জায়গাটা ফুলে যাওয়াটা স্বাভাবিক। সাধারণত ব্যথা কমার সঙ্গে কয়েক দিনের মধ্যেই ফোলাভাবও কমে যায়। তবে ফোলাভাব যদি না কমে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় ভেতরের ক্ষত পুরোপুরি সারে নি।

জোড়ার নড়াচড়া কমে গেলে : হাঁটু, গোড়ালি, কাঁধ বা কব্জি—চোট লাগার পর যদি অস্থিসন্ধি আগের মতো নমনীয় না থাকে, তাহলে লিগামেন্টে বড় ধরনের আঘাত লাগার সম্ভাবনা থাকে।

এ ধরনের চোট সহজে সারে না এবং বারবার সমস্যা তৈরি করতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, গোড়ালির একই জায়গায় বারবার মচকে যাওয়া একেবারেই অস্বাভাবিক নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে বলা হয় ক্রনিক অ্যাঙ্কল ইনস্টেবিলিটি। অর্থাৎ, গোড়ালির পুরনো লিগামেন্টের চোট ঠিকমতো না সারলে জায়গাটা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আবার সহজেই মচকে যেতে পারে।

যথেষ্ট বিশ্রাম, ঠাণ্ডা ও গরম সেঁক ও হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে ধীরে ধীরে এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

তবে সমস্যা যদি ঘন ঘন হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রোগীদের স্বস্তি দিতে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস-সোলার ও ফ্যান

বারবার পা মচকে যাচ্ছে? হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি গোড়ালির সমস্যা

আপডেট সময় : ০৩:২৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

দৌড়ানোর প্রশ্নই নেই—সামান্য একটু জোরে হাঁটলেই পা মচকে যাচ্ছে? আরো অদ্ভুত বিষয় হলো, প্রায় একই জায়গাতেই বারবার এই সমস্যা হচ্ছে। ছোটবেলায় খেলতে গিয়ে যে গোড়ালিতে একবার চোট লেগেছিল, সেই জায়গাতেই যেন বারবার ব্যথা ফিরে আসে। মলম, স্প্রে বা সেঁক দিলে কয়েক দিনের জন্য আরাম মেলে, তখন আলাদা করে পরীক্ষা করানোর কথাও আর মনে থাকে না।

অনেকেই এমন ব্যথাকে তেমন গুরুত্ব দেন না।

তবে চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা, শুরুতেই গুরুত্ব না দিলে ভবিষ্যতে তা গুরুতর রূপ নিতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন

যদি ব্যথা না কমে : সাধারণ টান ধরা বা হালকা মচকানোর ব্যথা বেশিদিন থাকে না। অনেক সময় ঘরোয়া উপায়েই সেরে যায়, আবার ব্যথানাশক মলম বা স্প্রেতেও উপশম মেলে। কিন্তু এসবের পরেও যদি ব্যথা থেকে যায়, তাহলে বিষয়টি আর হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

ফোলাভাব দীর্ঘদিন থাকলে : হঠাৎ জোরে কোথাও ধাক্কা লাগলে বা চোট পেলে জায়গাটা ফুলে যাওয়াটা স্বাভাবিক। সাধারণত ব্যথা কমার সঙ্গে কয়েক দিনের মধ্যেই ফোলাভাবও কমে যায়। তবে ফোলাভাব যদি না কমে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় ভেতরের ক্ষত পুরোপুরি সারে নি।

জোড়ার নড়াচড়া কমে গেলে : হাঁটু, গোড়ালি, কাঁধ বা কব্জি—চোট লাগার পর যদি অস্থিসন্ধি আগের মতো নমনীয় না থাকে, তাহলে লিগামেন্টে বড় ধরনের আঘাত লাগার সম্ভাবনা থাকে।

এ ধরনের চোট সহজে সারে না এবং বারবার সমস্যা তৈরি করতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, গোড়ালির একই জায়গায় বারবার মচকে যাওয়া একেবারেই অস্বাভাবিক নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে বলা হয় ক্রনিক অ্যাঙ্কল ইনস্টেবিলিটি। অর্থাৎ, গোড়ালির পুরনো লিগামেন্টের চোট ঠিকমতো না সারলে জায়গাটা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আবার সহজেই মচকে যেতে পারে।

যথেষ্ট বিশ্রাম, ঠাণ্ডা ও গরম সেঁক ও হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে ধীরে ধীরে এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

তবে সমস্যা যদি ঘন ঘন হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।