ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবার চলে যাওয়ার ৯ বছর, শান্তি রঞ্জন সাহার স্মরণে ছেলের আকুতি

​ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার সর্বশ্রেষ্ঠ ও কিংবদন্তি পাঞ্জাবি সেলাইয়ের কারিগর শান্তি রঞ্জন সাহার নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৭ সালের এই দিনে ২৮ আগস্ট ত্রিসন্ধ্যায় পরিবারের সকলকে চিরতরে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

দীর্ঘ ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও তার শূন্যতা আজও অনুভব করছে পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা।

​সাংবাদিক সাধন সাহা জয়ের বাবা প্রয়াত শান্তি রঞ্জন সাহা শুধু একজন দক্ষ কারিগরই ছিলেন না, বরং নবীনগরে পাঞ্জাবি তৈরির শিল্পে তিনি ছিলেন অনন্য। আজও তার সেই হাতের কাজ ও কারিগরি দক্ষতার স্থান কেউ দখল করতে পারেনি। বাবা হারানোর বেদনা এখনো স্বজনদের তাড়িয়ে বেড়ায়, যা সহজে মেনে নেওয়ার মতো নয়।

​পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃত্যুর পর বাবার ছবিগুলো আজও সেই স্মৃতিচিহ্ন আর মুহূর্তগুলোই পরিবারের সম্বল।

​বাবার স্মৃতিচারণ করে সাংবাদিক সাধন সাহা জয় বলেন, “আজ আমার বাবা আমাদের মাঝে নেই, মনে হয় যেন কোথাও বেড়াতে গেছেন।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, আর কোনো দিন বাবাকে ডাকতে পারব না। আমার বাবা জীবিতকালে যদি কারোর মনে কষ্ট দিয়ে থাকেন কিংবা কোনো ভুলত্রুটি করে থাকেন, তবে তার সন্তান হিসেবে আমি সকলের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। সবাই তাকে ক্ষমা করে দেবেন।”

​প্রয়াত শান্তি রঞ্জন সাহার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এবং সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে ভালো স্থানে রাখেন, সেজন্য নবীনগরবাসীসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে আন্তরিক দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছে তার পরিবার।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বাবার চলে যাওয়ার ৯ বছর, শান্তি রঞ্জন সাহার স্মরণে ছেলের আকুতি

আপডেট সময় : ০৩:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার সর্বশ্রেষ্ঠ ও কিংবদন্তি পাঞ্জাবি সেলাইয়ের কারিগর শান্তি রঞ্জন সাহার নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৭ সালের এই দিনে ২৮ আগস্ট ত্রিসন্ধ্যায় পরিবারের সকলকে চিরতরে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

দীর্ঘ ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও তার শূন্যতা আজও অনুভব করছে পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা।

​সাংবাদিক সাধন সাহা জয়ের বাবা প্রয়াত শান্তি রঞ্জন সাহা শুধু একজন দক্ষ কারিগরই ছিলেন না, বরং নবীনগরে পাঞ্জাবি তৈরির শিল্পে তিনি ছিলেন অনন্য। আজও তার সেই হাতের কাজ ও কারিগরি দক্ষতার স্থান কেউ দখল করতে পারেনি। বাবা হারানোর বেদনা এখনো স্বজনদের তাড়িয়ে বেড়ায়, যা সহজে মেনে নেওয়ার মতো নয়।

​পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃত্যুর পর বাবার ছবিগুলো আজও সেই স্মৃতিচিহ্ন আর মুহূর্তগুলোই পরিবারের সম্বল।

​বাবার স্মৃতিচারণ করে সাংবাদিক সাধন সাহা জয় বলেন, “আজ আমার বাবা আমাদের মাঝে নেই, মনে হয় যেন কোথাও বেড়াতে গেছেন।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, আর কোনো দিন বাবাকে ডাকতে পারব না। আমার বাবা জীবিতকালে যদি কারোর মনে কষ্ট দিয়ে থাকেন কিংবা কোনো ভুলত্রুটি করে থাকেন, তবে তার সন্তান হিসেবে আমি সকলের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। সবাই তাকে ক্ষমা করে দেবেন।”

​প্রয়াত শান্তি রঞ্জন সাহার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এবং সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে ভালো স্থানে রাখেন, সেজন্য নবীনগরবাসীসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে আন্তরিক দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছে তার পরিবার।