ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে গোপনে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে বিএনপি নেতাকে সভাপতি করার অভিযোগ, তদন্ত ও স্থগিতের দাবি অভিভাবক-(এলাকাবাসীর)

বান্দরবানে গোপনে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে বিএনপি নেতাকে সভাপতি করার অভিযোগ, তদন্ত ও স্থগিতের দাবি অভিভাবক-(এলাকাবাসীর)

পার্বত্য বান্দরবান জেলার পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছিদ্দিকীনগর খাদিজা অহিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) গঠনকে কেন্দ্র করে অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অংশীজনদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির বান্দরবান জেলা জিয়া মঞ্চের সাবেক সভাপতি মুসলিম উদ্দীনকে সভাপতি করা হয়েছে দাবি করে কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার তদন্ত, স্থগিতাদেশ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিদ্যালয়ের নতুন স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। তবে অধিকাংশ অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট জনগণকে কোনো ধরনের পূর্ব অবহিতকরণ ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় গোপনে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান প্রক্রিয়ায় তা অনুসরণ করা হয়নি। ফলে সাধারণ অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ, অসন্তোষ এবং নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
বিদ্যালয়ের অভিভাবক মো. আলাউদ্দিন বলেন, “আমার মেয়ে এই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। অথচ স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের বিষয়ে আমাকে কোনোভাবেই জানানো হয়নি। একজন অভিভাবক হিসেবে বিষয়টি জানতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক।”
আরেক অভিভাবক পারভিন আক্তার বলেন, “আমার মেয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলের এত গুরুত্বপূর্ণ একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, অথচ আমরা কিছুই জানি না। আমাদের বাসা বিদ্যালয়ের খুব কাছেই। কী উদ্দেশ্যে গোপনে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে তা রহস্যজনক। বিদ্যালয়ের স্বার্থে একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক কমিটি গঠন হওয়া প্রয়োজন ছিল।”
এলাকার বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন বলেন, “বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে কমিটি গঠনের আগে অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের মতামত নেওয়া জরুরি ছিল। বর্তমান কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। দ্রুত এই কমিটি স্থগিত করে তদন্ত করা উচিত।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, “যাকে সভাপতি করা হয়েছে, তার বিদ্যালয়ের উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো অবদান নেই। তার বিরুদ্ধে জায়গা-জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে এলাকায় আলোচনা আছে। এমন একজন ব্যক্তিকে বিদ্যালয়ের সভাপতি করা ইতিবাচক বার্তা দেয় না।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নবনির্বাচিত সভাপতি মুসলিম উদ্দীন বলেন, “স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের ডেকেই কমিটি গঠন করেছে। এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই।” তবে কতজন অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন বা কীভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্চিতা তালুকদার বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিভাবকদের অবহিত করেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।”
সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তির সন্তান বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তার সন্তান কয়েকদিন আগে অন্য বিদ্যালয় থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) নিয়ে আমাদের বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে।”
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এমদাদ হোসেন বলেন, “কমিটি গঠনের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করা হবে। কমিটি গঠনে অনিয়ম বা অস্বচ্ছতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনে কমিটি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।”
অন্যদিকে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি সকল অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে পুনরায় স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় নতুন কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিতর্ক ও প্রশ্নের সৃষ্টি হলে তা বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও শিক্ষার পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
উক্ত বিষয়ে অভিযুক্ত মুসলিম উদ্দিন কে প্রশ্ন করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তিনি বৈঠক বাভে নির্বাচিত হয়েছেন এবং সরকার দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বান্দরবানে গোপনে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে বিএনপি নেতাকে সভাপতি করার অভিযোগ, তদন্ত ও স্থগিতের দাবি অভিভাবক-(এলাকাবাসীর)

আপডেট সময় : ১২:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

পার্বত্য বান্দরবান জেলার পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছিদ্দিকীনগর খাদিজা অহিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) গঠনকে কেন্দ্র করে অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অংশীজনদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির বান্দরবান জেলা জিয়া মঞ্চের সাবেক সভাপতি মুসলিম উদ্দীনকে সভাপতি করা হয়েছে দাবি করে কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার তদন্ত, স্থগিতাদেশ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিদ্যালয়ের নতুন স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। তবে অধিকাংশ অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট জনগণকে কোনো ধরনের পূর্ব অবহিতকরণ ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় গোপনে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান প্রক্রিয়ায় তা অনুসরণ করা হয়নি। ফলে সাধারণ অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ, অসন্তোষ এবং নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
বিদ্যালয়ের অভিভাবক মো. আলাউদ্দিন বলেন, “আমার মেয়ে এই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। অথচ স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের বিষয়ে আমাকে কোনোভাবেই জানানো হয়নি। একজন অভিভাবক হিসেবে বিষয়টি জানতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক।”
আরেক অভিভাবক পারভিন আক্তার বলেন, “আমার মেয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলের এত গুরুত্বপূর্ণ একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, অথচ আমরা কিছুই জানি না। আমাদের বাসা বিদ্যালয়ের খুব কাছেই। কী উদ্দেশ্যে গোপনে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে তা রহস্যজনক। বিদ্যালয়ের স্বার্থে একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক কমিটি গঠন হওয়া প্রয়োজন ছিল।”
এলাকার বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন বলেন, “বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে কমিটি গঠনের আগে অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের মতামত নেওয়া জরুরি ছিল। বর্তমান কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। দ্রুত এই কমিটি স্থগিত করে তদন্ত করা উচিত।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, “যাকে সভাপতি করা হয়েছে, তার বিদ্যালয়ের উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো অবদান নেই। তার বিরুদ্ধে জায়গা-জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে এলাকায় আলোচনা আছে। এমন একজন ব্যক্তিকে বিদ্যালয়ের সভাপতি করা ইতিবাচক বার্তা দেয় না।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নবনির্বাচিত সভাপতি মুসলিম উদ্দীন বলেন, “স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের ডেকেই কমিটি গঠন করেছে। এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই।” তবে কতজন অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন বা কীভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্চিতা তালুকদার বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিভাবকদের অবহিত করেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।”
সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তির সন্তান বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তার সন্তান কয়েকদিন আগে অন্য বিদ্যালয় থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) নিয়ে আমাদের বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে।”
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এমদাদ হোসেন বলেন, “কমিটি গঠনের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করা হবে। কমিটি গঠনে অনিয়ম বা অস্বচ্ছতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনে কমিটি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।”
অন্যদিকে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি সকল অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে পুনরায় স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় নতুন কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিতর্ক ও প্রশ্নের সৃষ্টি হলে তা বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও শিক্ষার পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
উক্ত বিষয়ে অভিযুক্ত মুসলিম উদ্দিন কে প্রশ্ন করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তিনি বৈঠক বাভে নির্বাচিত হয়েছেন এবং সরকার দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।