বাজারে সাধারণ জাতের আমের মৌসুম প্রায় শেষের দিকে হলেও থাই জাতের ‘ব্যানানা ম্যাংগো’ বা কলাবতী আমের বাজার এখন দারুণ তুঙ্গে। নওগাঁর সাপাহারের স্থানীয় আড়ত ও পাইকারি বাজারে বর্তমানে প্রতি মণ (৪০ কেজি) ব্যানানা ম্যাংগো বিক্রি হচ্ছে ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে প্রতি কেজি আমের পাইকারি দাম পড়ছে ৩০০ থেকে ৩২৫ টাকা, যা খুচরা বাজারে ৪০০ টাকা বা তারও বেশি ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
ব্যতিক্রমী আকৃতি, পাতলা আঁটি এবং চমৎকার স্বাদের কারণে বাজারে বিদেশি জাতের এই আমের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। আম মৌসুমে অন্যান্য পরিচিত জাতের আম যখন তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হয়েছে, তখন মৌসুমের শেষ দিকে ব্যানানা ম্যাংগোর এই চড়া দাম আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
কেন এতো চাহিদা?
স্থানীয় আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মূলত মৌসুমের শেষভাগে এই আম পরিপক্ক হয়। ফলে বাজারে অন্যান্য প্রচলিত আমের সরবরাহ কমে আসায় এটি বাড়তি বাজার সুবিধা পায়। আমটি দেখতে অনেকটা পাকা কলার মতো হওয়ায় এটি যেমন সহজেই ক্রেতাদের নজর কাড়ে, তেমনি এর আঁশহীন ও রসালো শাঁস ক্রেতাদের প্রথম পছন্দে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় এক আমচাষি জানান, “অন্যান্য সাধারণ জাতের আমের চেয়ে ব্যানানা ম্যাংগোর কিছুটা বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন হয়। তবে বাজারে এখন যে দাম পাওয়া যাচ্ছে, তাতে আমরা সব কষ্ট ভুলে লাভবান হচ্ছি। প্রতি মণ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরে গত বছরের তুলনায় এবার সার্বিক লাভ অনেক ভালো।”
আড়তদারদের বক্তব্য
আড়তদারদের মতে, মূলত সৌখিন ক্রেতা এবং দেশের বড় বড় শহরের সুপারশপ ও প্রিমিয়াম ফ্রুট শপগুলোতে এই আমের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। রাজধানীসহ দূর-দূরান্তের পাইকাররা সরাসরি বাগান ও স্থানীয় আড়ত থেকে চড়া দামে এসব আম সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন।
মোঃ আরিফুল হক সাহিন স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক বাংলার সংবাদ 



















