পটুয়াখালীর বাউফলে রমিজ মৃধা নামে এক যুবদল নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় তার হাতের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার দুর্গম জনপদ চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বেল্লাল মল্লিকের দোকানের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত রমিজ মৃধা চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ওই এলাকার মৃত পঞ্চম আলী মৃধার ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় বেল্লাল মল্লিকের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন রমিজ মৃধা। এ সময় তার প্রতিবেশী জিসান মৃধা (২০) ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এলোপাতাড়ি কোপানোর একপর্যায়ে রমিজের হাতের রগ কেটে যায়। পরে জিসান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় এক সপ্তাহ আগে জিসানকে মাদক সেবনের কারণে বকাঝকা করেছিলেন যুবদল নেতা রমিজ মৃধা। এর কয়েকদিন পর গত মঙ্গলবার ৫০ হাজার টাকা চুরির ঘটনায় জিসানকে শাস্তিও দেন তিনি। এ ঘটনার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে রমিজের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।
হামলার পর স্থানীয়রা আহত রমিজ মৃধাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক মামুনুর রশিদ জানান, রমিজ মৃধার হাতে ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে তার হাতের রগ কেটে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, “ঘটনা জানার পরপরই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মোঃ আব্দুল্লাহ আল লিখন বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 



















