ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যার শঙ্কায় মানিকগঞ্জ: যমুনাপাড়ের মানুষের উৎকণ্ঠা, প্রস্তুতির ওপর জোর

বন্যার শঙ্কায় মানিকগঞ্জ: যমুনাপাড়ের মানুষের উৎকণ্ঠা, প্রস্তুতির ওপর জোর

বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাত এবং উজানের ঢলের কারণে দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, জুলাই–আগস্ট মাসে দেশের কয়েকটি নদী অববাহিকায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে।
যদিও মানিকগঞ্জে এখনো বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি, তবুও যমুনা নদীঘেঁষা শিবালয়, দৌলতপুর ও হরিরামপুর উপজেলার চরাঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, যমুনার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেলে এসব এলাকার ফসলি জমি, গ্রামীণ সড়ক এবং নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্ভাব্য দুর্যোগের আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কৃষকদেরও আগাম সতর্ক থেকে বীজ, গবাদিপশুর খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। সরকারি সংস্থা, জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগ ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভারী বর্ষণে ইতোমধ্যে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং দুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়া ও নদীর পানির পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলাই এ সময়ের সবচেয়ে বড় করণীয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বন্যার শঙ্কায় মানিকগঞ্জ: যমুনাপাড়ের মানুষের উৎকণ্ঠা, প্রস্তুতির ওপর জোর

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাত এবং উজানের ঢলের কারণে দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, জুলাই–আগস্ট মাসে দেশের কয়েকটি নদী অববাহিকায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে।
যদিও মানিকগঞ্জে এখনো বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি, তবুও যমুনা নদীঘেঁষা শিবালয়, দৌলতপুর ও হরিরামপুর উপজেলার চরাঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, যমুনার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেলে এসব এলাকার ফসলি জমি, গ্রামীণ সড়ক এবং নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সম্ভাব্য দুর্যোগের আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কৃষকদেরও আগাম সতর্ক থেকে বীজ, গবাদিপশুর খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। সরকারি সংস্থা, জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগ ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভারী বর্ষণে ইতোমধ্যে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং দুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়া ও নদীর পানির পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলাই এ সময়ের সবচেয়ে বড় করণীয়।