ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ার কাহালুর সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা চামেলীর উপসচিব পদে পদোন্নতিতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

 

 

বগুড়ার কাহালু উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বর্তমানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব পাপিয়া সুলতানা (১৭০৯৮) উপসচিব পদে পদোন্নতি লাভ করায় তাঁকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও প্রাণঢালা শুভকামনা।

সততা, মেধা, দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা, সাহসিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বল একজন চৌকস, শিক্ষানুরাগী ও জনকল্যাণমুখী কর্মকর্তা হিসেবে পাপিয়া সুলতানা চামেলী কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও যোগ্যতার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন। সাতক্ষীরা জেলার এই কৃতী সন্তান তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব আন্তরিকতা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

পাপিয়া সুলতানা চামেলী এর আগে রাজশাহীর বাঘা ও বগুড়ার কাহালু উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি এবং রাজস্ব) হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনের প্রতিটি কর্মস্থলেই তিনি প্রশাসনিক দক্ষতা, সততা, দায়িত্বশীলতা ও জনসেবার মানসিকতার উজ্জ্বল পরিচয় দিয়েছেন।

বিশেষ করে ২০২২ সালে বগুড়ার কাহালু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে স্বল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সাহসী, দৃঢ়, নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

সে সময় উপজেলার নাগর নদী ছিল মাটি ও বালু উত্তোলনকারীদের অন্যতম দৌরাত্ম্যের এলাকা। অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন, মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে তিনি কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। জনস্বার্থে তাঁর দৃঢ় অবস্থান এবং অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসনিক ভূমিকার কারণে তিনি অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনকারীদের কাছে একজন কঠোর, সাহসী ও দৃঢ়চেতা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

তবে কঠোর প্রশাসনিক অবস্থানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর ছিল মানবিক ও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি। মানুষের অধিকার রক্ষা, পরিবেশ সুরক্ষা, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিকতা ও সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে কাহালুবাসীর কাছে একজন জনকল্যাণমুখী, মানবিক ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। তাঁর কর্মময় সময়ের সেই স্মৃতি আজও কাহালুর অনেক মানুষের মনে অমলিন হয়ে আছে।

কাহালু থেকে তাঁর বদলি হওয়ার পরও তাঁর কর্মদক্ষতা, সততা, সাহসিকতা ও জনসেবার নানা স্মৃতি আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। কর্মস্থল বদলে যায়, দায়িত্বের পরিধি বদলে যায়—কিন্তু মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া একজন সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তার স্মৃতি সহজে মুছে যায় না। পাপিয়া সুলতানা চামেলী তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

তাঁর উপসচিব পদে পদোন্নতি নিঃসন্দেহে মেধা, যোগ্যতা, সততা, কর্মনিষ্ঠা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। এই অর্জন তাঁর কর্মজীবনের নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নতুন দায়িত্বেও তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব, সততা ও জনসেবার মানসিকতা ভবিষ্যতেও প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অবদান রাখবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

উপসচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ায় পাপিয়া সুলতানা চামেলীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও প্রাণঢালা শুভকামনা।

তাঁর আগামী কর্মজীবন আরও সাফল্যমণ্ডিত, গৌরবময় ও জনকল্যাণমুখী হোক। সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও মানবিকতার মাধ্যমে তিনি যেন দেশ ও মানুষের সেবায় আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন—এই প্রত্যাশা রইল।

মহান আল্লাহ তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দান করুন।

অভিনন্দন ও শুভকামনা, পাপিয়া সুলতানা চামেলী।

আপনার সাফল্যের পথ আরও দীর্ঘ, সুন্দর, সমৃদ্ধ ও গৌরবময় হোক। মানুষের কল্যাণে আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ আরও আস্থার, ভালোবাসার ও সেবার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠুক—এই শুভকামনাই রইল।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বগুড়ার কাহালুর সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা চামেলীর উপসচিব পদে পদোন্নতিতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

আপডেট সময় : ০৬:২৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

 

 

বগুড়ার কাহালু উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বর্তমানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব পাপিয়া সুলতানা (১৭০৯৮) উপসচিব পদে পদোন্নতি লাভ করায় তাঁকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও প্রাণঢালা শুভকামনা।

সততা, মেধা, দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা, সাহসিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জ্বল একজন চৌকস, শিক্ষানুরাগী ও জনকল্যাণমুখী কর্মকর্তা হিসেবে পাপিয়া সুলতানা চামেলী কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও যোগ্যতার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন। সাতক্ষীরা জেলার এই কৃতী সন্তান তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব আন্তরিকতা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

পাপিয়া সুলতানা চামেলী এর আগে রাজশাহীর বাঘা ও বগুড়ার কাহালু উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি এবং রাজস্ব) হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনের প্রতিটি কর্মস্থলেই তিনি প্রশাসনিক দক্ষতা, সততা, দায়িত্বশীলতা ও জনসেবার মানসিকতার উজ্জ্বল পরিচয় দিয়েছেন।

বিশেষ করে ২০২২ সালে বগুড়ার কাহালু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে স্বল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সাহসী, দৃঢ়, নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

সে সময় উপজেলার নাগর নদী ছিল মাটি ও বালু উত্তোলনকারীদের অন্যতম দৌরাত্ম্যের এলাকা। অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন, মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে তিনি কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। জনস্বার্থে তাঁর দৃঢ় অবস্থান এবং অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসনিক ভূমিকার কারণে তিনি অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনকারীদের কাছে একজন কঠোর, সাহসী ও দৃঢ়চেতা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

তবে কঠোর প্রশাসনিক অবস্থানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর ছিল মানবিক ও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি। মানুষের অধিকার রক্ষা, পরিবেশ সুরক্ষা, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিকতা ও সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে কাহালুবাসীর কাছে একজন জনকল্যাণমুখী, মানবিক ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। তাঁর কর্মময় সময়ের সেই স্মৃতি আজও কাহালুর অনেক মানুষের মনে অমলিন হয়ে আছে।

কাহালু থেকে তাঁর বদলি হওয়ার পরও তাঁর কর্মদক্ষতা, সততা, সাহসিকতা ও জনসেবার নানা স্মৃতি আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। কর্মস্থল বদলে যায়, দায়িত্বের পরিধি বদলে যায়—কিন্তু মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া একজন সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তার স্মৃতি সহজে মুছে যায় না। পাপিয়া সুলতানা চামেলী তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

তাঁর উপসচিব পদে পদোন্নতি নিঃসন্দেহে মেধা, যোগ্যতা, সততা, কর্মনিষ্ঠা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও দীর্ঘদিনের সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। এই অর্জন তাঁর কর্মজীবনের নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নতুন দায়িত্বেও তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব, সততা ও জনসেবার মানসিকতা ভবিষ্যতেও প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অবদান রাখবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

উপসচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ায় পাপিয়া সুলতানা চামেলীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও প্রাণঢালা শুভকামনা।

তাঁর আগামী কর্মজীবন আরও সাফল্যমণ্ডিত, গৌরবময় ও জনকল্যাণমুখী হোক। সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও মানবিকতার মাধ্যমে তিনি যেন দেশ ও মানুষের সেবায় আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন—এই প্রত্যাশা রইল।

মহান আল্লাহ তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দান করুন।

অভিনন্দন ও শুভকামনা, পাপিয়া সুলতানা চামেলী।

আপনার সাফল্যের পথ আরও দীর্ঘ, সুন্দর, সমৃদ্ধ ও গৌরবময় হোক। মানুষের কল্যাণে আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ আরও আস্থার, ভালোবাসার ও সেবার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠুক—এই শুভকামনাই রইল।