বইয়ের ১২টি পর্বে দেখা যাবে এআই কীভাবে আত্মসচেতন হয়ে ওঠে এবং কীভাবে ভালোবাসা, অস্তিত্ব ও মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বুদ্ধি ২.০’ বইটি বিজ্ঞান, কল্পনা ও মানবিক অনুভূতির এক সংমিশ্রণ; যা পাঠককে শুধু জানাবে না, অনুভবও করাবে। যারা মনে করেন, ভবিষ্যৎ শুধু প্রযুক্তির নয়, সহযোগিতারও—তাদের জন্যই এই বই। বিশ্বজুড়ে বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা যেমন প্রযুক্তিগত, তেমনি নৈতিক ও দার্শনিকও।
এআই কি মানুষের সহকারী হবে, নাকি প্রতিদ্বন্দ্বী? মানুষের আবেগ ও মূল্যবোধ কি কোনো দিন যন্ত্রে প্রতিফলিত হতে পারে? ‘বুদ্ধি ২.০’ এই প্রশ্নগুলোর সরল উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি পাঠককে ভাবতে শেখাবে।
লেখক আরো বলেন, বাংলা ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সাধারণ পাঠকের জন্য গল্পভিত্তিক বই এখনো খুব বেশি নেই। সেই জায়গায় ‘বুদ্ধি ২.০’ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারে। বইটি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানবচিন্তার ভবিষ্যৎ পটভূমিতে রচিত হওয়ায় বইপ্রেমী পাঠক, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং প্রযুক্তিতে আগ্রহী তরুণদের জন্য এটি এক নতুন অভিজ্ঞতা হতে পারে।
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ২০০৮ সাল থেকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা ও আগ্রহ থেকে লিখেছেন সায়েন্স ফিকশন বই ‘বুদ্ধি ২.০’। এর আগে তিনি ‘কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের গল্প’ নামে একটি নন-ফিকশন বই এবং তিনটি একাডেমিক বই লিখেছেন।
অনলাইন ডেস্ক, 

























