ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুসফুস ক্যান্সারের যেসব লক্ষণ গুরুত্ব দেন না অনেকেই

ফুসফুস ক্যান্সারের যেসব লক্ষণ গুরুত্ব দেন না অনেকেই

প্রতিবছর ৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো রোগ ধরা পড়লে ক্যান্সারের মতো জটিল অসুখ থেকেও সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।

বিশ্বজুড়ে ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ফুসফুস ক্যান্সার।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই রোগের কিছু প্রাথমিক লক্ষণকে আমরা প্রায়ই সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাই। ফলে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হয় এবং ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কিছু উপসর্গ দেখা দিলেই সতর্ক হওয়া জরুরি।ফুসফুস ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ ও প্রাথমিক লক্ষণ হলো দীর্ঘস্থায়ী কাশি।

শুরুতে এই কাশি হালকা হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে এবং প্রায় প্রতিদিনই কাশি হতে থাকে। সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে অবহেলা করলে বিপদ বাড়তে পারে।

কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। কফের সঙ্গে লালচে রক্ত দেখা গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

এটি ফুসফুসের ভেতরে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধির ইঙ্গিত হতে পারে।

ফুসফুসে ক্যান্সার বাড়তে থাকলে অনেকেরই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সামান্য হাঁটাচলা বা কাজের মধ্যেও হাঁপ ধরে যাওয়া, বুক ভার লাগা বা দম নিতে অসুবিধা হওয়া এই রোগের লক্ষণ হতে পারে। এর সঙ্গে অনেক সময় বুকে ব্যথা অনুভূত হয়, যা কাশির সময় বা এমনকি বিশ্রামের মধ্যেও দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া খিদে কমে যাওয়া ও অকারণে ওজন হ্রাস ফুসফুস ক্যান্সারের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলোর মধ্যে পড়ে।

খাবারের প্রতি অনীহা, আগের তুলনায় কম খাওয়া বা দ্রুত ওজন কমে যাওয়া কখনোই ভালো লক্ষণ নয়। প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারেই এই উপসর্গ দেখা যায়।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই ধরনের কোনো লক্ষণ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে তা অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই ফুসফুস ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ফুসফুস ক্যান্সারের যেসব লক্ষণ গুরুত্ব দেন না অনেকেই

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রতিবছর ৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো রোগ ধরা পড়লে ক্যান্সারের মতো জটিল অসুখ থেকেও সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।

বিশ্বজুড়ে ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ফুসফুস ক্যান্সার।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই রোগের কিছু প্রাথমিক লক্ষণকে আমরা প্রায়ই সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাই। ফলে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হয় এবং ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কিছু উপসর্গ দেখা দিলেই সতর্ক হওয়া জরুরি।ফুসফুস ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ ও প্রাথমিক লক্ষণ হলো দীর্ঘস্থায়ী কাশি।

শুরুতে এই কাশি হালকা হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে এবং প্রায় প্রতিদিনই কাশি হতে থাকে। সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে অবহেলা করলে বিপদ বাড়তে পারে।

কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। কফের সঙ্গে লালচে রক্ত দেখা গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

এটি ফুসফুসের ভেতরে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধির ইঙ্গিত হতে পারে।

ফুসফুসে ক্যান্সার বাড়তে থাকলে অনেকেরই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সামান্য হাঁটাচলা বা কাজের মধ্যেও হাঁপ ধরে যাওয়া, বুক ভার লাগা বা দম নিতে অসুবিধা হওয়া এই রোগের লক্ষণ হতে পারে। এর সঙ্গে অনেক সময় বুকে ব্যথা অনুভূত হয়, যা কাশির সময় বা এমনকি বিশ্রামের মধ্যেও দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া খিদে কমে যাওয়া ও অকারণে ওজন হ্রাস ফুসফুস ক্যান্সারের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলোর মধ্যে পড়ে।

খাবারের প্রতি অনীহা, আগের তুলনায় কম খাওয়া বা দ্রুত ওজন কমে যাওয়া কখনোই ভালো লক্ষণ নয়। প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারেই এই উপসর্গ দেখা যায়।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই ধরনের কোনো লক্ষণ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে তা অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই ফুসফুস ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।