শুরুতে এই কাশি হালকা হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে এবং প্রায় প্রতিদিনই কাশি হতে থাকে। সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে অবহেলা করলে বিপদ বাড়তে পারে।
কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। কফের সঙ্গে লালচে রক্ত দেখা গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
এটি ফুসফুসের ভেতরে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধির ইঙ্গিত হতে পারে।
ফুসফুসে ক্যান্সার বাড়তে থাকলে অনেকেরই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সামান্য হাঁটাচলা বা কাজের মধ্যেও হাঁপ ধরে যাওয়া, বুক ভার লাগা বা দম নিতে অসুবিধা হওয়া এই রোগের লক্ষণ হতে পারে। এর সঙ্গে অনেক সময় বুকে ব্যথা অনুভূত হয়, যা কাশির সময় বা এমনকি বিশ্রামের মধ্যেও দেখা দিতে পারে।
এ ছাড়া খিদে কমে যাওয়া ও অকারণে ওজন হ্রাস ফুসফুস ক্যান্সারের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলোর মধ্যে পড়ে।
খাবারের প্রতি অনীহা, আগের তুলনায় কম খাওয়া বা দ্রুত ওজন কমে যাওয়া কখনোই ভালো লক্ষণ নয়। প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারেই এই উপসর্গ দেখা যায়।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই ধরনের কোনো লক্ষণ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে তা অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই ফুসফুস ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
অনলাইন ডেস্ক 

























