ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু

 

 

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ঘোষিত ৪৮ ঘণ্টার হরতালের প্রথম দিন রোববার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে নারায়ণহাট, দাঁতমারা ও বাগানবাজার এলাকায় সর্বাত্মকভাবে হরতাল পালিত হচ্ছে।

সকাল থেকেই হরতাল সমর্থকরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বাঁশ, ইটসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এর ফলে গণপরিবহনসহ প্রায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সড়কগুলো অনেকটাই ফাঁকা দেখা যায়।

হরতালের প্রতি সংহতি জানিয়ে অধিকাংশ ব্যবসায়ী স্বতঃস্ফূর্তভাবে দোকানপাট বন্ধ রাখেন। ফলে বাজারগুলোতে স্বাভাবিক দিনের কোলাহলের পরিবর্তে নীরব পরিবেশ বিরাজ করতে দেখা যায়।

হরতালকারীরা জানান, ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর জনগণের সুবিধাজনক ও যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে আন্দোলন চালিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা ঘোষণা দেন।

এদিকে, হরতাল চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, সকাল থেকে হরতাল শুরু হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর বা বিশৃঙ্খল ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হরতালের দ্বিতীয় দিনেও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু

আপডেট সময় : ০২:৫৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

 

 

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ঘোষিত ৪৮ ঘণ্টার হরতালের প্রথম দিন রোববার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে নারায়ণহাট, দাঁতমারা ও বাগানবাজার এলাকায় সর্বাত্মকভাবে হরতাল পালিত হচ্ছে।

সকাল থেকেই হরতাল সমর্থকরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বাঁশ, ইটসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এর ফলে গণপরিবহনসহ প্রায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সড়কগুলো অনেকটাই ফাঁকা দেখা যায়।

হরতালের প্রতি সংহতি জানিয়ে অধিকাংশ ব্যবসায়ী স্বতঃস্ফূর্তভাবে দোকানপাট বন্ধ রাখেন। ফলে বাজারগুলোতে স্বাভাবিক দিনের কোলাহলের পরিবর্তে নীরব পরিবেশ বিরাজ করতে দেখা যায়।

হরতালকারীরা জানান, ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর জনগণের সুবিধাজনক ও যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে আন্দোলন চালিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা ঘোষণা দেন।

এদিকে, হরতাল চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, সকাল থেকে হরতাল শুরু হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর বা বিশৃঙ্খল ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হরতালের দ্বিতীয় দিনেও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন।