ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়িতে ভারী বর্ষণে বন্যার আশঙ্কা হালদা নদীর পানি বিপদ সীমানা ২ মিটার নিচে

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলমান বৃষ্টিপাতে উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল, খাল-বিল ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে আসলে উপজেলার নদী ও খালসংলগ্ন এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে নিচু এলাকার বসতঘর, কৃষিজমি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
ফটিকছড়ি উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। উপজেলার প্রধান নদী-খালগুলোর পানি বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নদী ও খালের তীরবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
হালদা নদীর পানি বিপদ সীমানা ২ মিটার নিচে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নামলে বিপদ সীমানা উপর দিয়ে চলে বন্যা আশংকা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ফটিকছড়িতে ভারী বর্ষণে বন্যার আশঙ্কা হালদা নদীর পানি বিপদ সীমানা ২ মিটার নিচে

আপডেট সময় : ০৬:৩০:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলমান বৃষ্টিপাতে উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল, খাল-বিল ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে আসলে উপজেলার নদী ও খালসংলগ্ন এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে নিচু এলাকার বসতঘর, কৃষিজমি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
ফটিকছড়ি উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। উপজেলার প্রধান নদী-খালগুলোর পানি বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নদী ও খালের তীরবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
হালদা নদীর পানি বিপদ সীমানা ২ মিটার নিচে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নামলে বিপদ সীমানা উপর দিয়ে চলে বন্যা আশংকা রয়েছে।