ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রিপেইড ও ডিজিটাল মিটারের নামে চরম অনিয়ম: কক্সবাজারে অতিরিক্ত বিল ও লোডশেডিংয়ে নাকাল জনজীবন

| ২ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজার জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ডিজিটাল ও প্রিপেইড মিটার বসানোর পর থেকেই গ্রাহকসেবায় নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। মিটারে অতিরিক্ত টাকা কাটা, মনগড়া বিদ্যুৎ বিল তৈরি এবং ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কোনো স্পষ্ট হিসাব বা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই তাঁদের ওপর ভূতুড়ে বিল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
গ্রাহকদের দাবি, ডিজিটাল মিটারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি এখন চরম রূপ নিয়েছে। একদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন অচল হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে রিচার্জের সময় কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। অথচ মিটারের কারচুপি বা সেবার মান তদারকি করার জন্য দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই।
অনিয়ম ও ভূতুড়ে বিলের হাত থেকে রক্ষা পেতে স্থানীয় গ্রাহকরা চার দফা দাবি তুলে ধরেছেন:
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ: বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক ও লোডশেডিং মুক্ত করতে হবে।
হিসাবের স্বচ্ছতা: ডিজিটাল ও প্রিপেইড মিটারের চার্জ এবং বিল কাটার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করতে হবে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: ভৌতিক বিল তৈরি ও সার্বিক অনিয়মের তদন্তে তড়িৎ মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
হয়রানি বন্ধ: সাধারণ গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি ও আর্থিক শোষণ বন্ধ করতে হবে।
গ্রাহকরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে এবং তদারকি জোরদার করা না হলে সাধারণ মানুষ বড় ধরনের আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

প্রিপেইড ও ডিজিটাল মিটারের নামে চরম অনিয়ম: কক্সবাজারে অতিরিক্ত বিল ও লোডশেডিংয়ে নাকাল জনজীবন

আপডেট সময় : ০৩:০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

| ২ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজার জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ডিজিটাল ও প্রিপেইড মিটার বসানোর পর থেকেই গ্রাহকসেবায় নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। মিটারে অতিরিক্ত টাকা কাটা, মনগড়া বিদ্যুৎ বিল তৈরি এবং ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কোনো স্পষ্ট হিসাব বা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই তাঁদের ওপর ভূতুড়ে বিল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
গ্রাহকদের দাবি, ডিজিটাল মিটারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি এখন চরম রূপ নিয়েছে। একদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন অচল হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে রিচার্জের সময় কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। অথচ মিটারের কারচুপি বা সেবার মান তদারকি করার জন্য দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই।
অনিয়ম ও ভূতুড়ে বিলের হাত থেকে রক্ষা পেতে স্থানীয় গ্রাহকরা চার দফা দাবি তুলে ধরেছেন:
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ: বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক ও লোডশেডিং মুক্ত করতে হবে।
হিসাবের স্বচ্ছতা: ডিজিটাল ও প্রিপেইড মিটারের চার্জ এবং বিল কাটার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করতে হবে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: ভৌতিক বিল তৈরি ও সার্বিক অনিয়মের তদন্তে তড়িৎ মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
হয়রানি বন্ধ: সাধারণ গ্রাহকদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি ও আর্থিক শোষণ বন্ধ করতে হবে।
গ্রাহকরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে এবং তদারকি জোরদার করা না হলে সাধারণ মানুষ বড় ধরনের আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।