ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রশাসনের অভাবে ভোগান্তিতে কমলনগর-রামগতির সাধারণ মানুষ

৮/৭/২০২৬
০১৭১৮২৮৩০২৫

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলায় প্রশাসনিক শূন্যতা এখন চরমে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি এবং একজন কর্মকর্তার একাধিক দপ্তরের দায়িত্ব পালনের কারণে প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছেন হাজারো সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে একজন প্রশাসক দায়িত্বে থাকলেও তিনি একসাথে ২-৩টি ইউনিয়নের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। ফলে নাগরিক সেবা পেতে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েও চেয়ারম্যান, সদস্য বা সচিব কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। জরুরি কাজ নিয়ে পরিষদে আসা মানুষকে ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে।

একই চিত্র উপজেলা পর্যায়েও। ভূমি অফিস, এসিল্যান্ড অফিসসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরে গিয়ে কর্মকর্তাদের দেখা মিলছে না। একজন কর্মকর্তাকে ৩-৪টি অফিসের দায়িত্ব দেয়ায় সপ্তাহে একদিন গিয়েও তার দেখা পাওয়া দুষ্কর।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, “সেবা নিতে এসে আমরা আরো হয়রানির শিকার হচ্ছি। অফিসে তালা, চেয়ার খালি। কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর মানুষ দিনের পর দিন ঘুরেও জন্মনিবন্ধন, ভূমির কাগজ, ভাতার কার্ড কিছুই পাচ্ছে না।”

স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সেবা প্রদানকারীরাও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির কারণে কাজ করতে পারছেন না। এতে সারা বাংলাদেশে একই সমস্যা থাকলেও কমলনগর-রামগতির মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নাগরিক সমাজের দাবি, অবিলম্বে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা দপ্তরে পূর্ণকালীন কর্মকর্তা নিয়োগ এবং একজনকে একাধিক দায়িত্ব দেয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। তা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

প্রশাসনের অভাবে ভোগান্তিতে কমলনগর-রামগতির সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ০১:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

৮/৭/২০২৬
০১৭১৮২৮৩০২৫

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলায় প্রশাসনিক শূন্যতা এখন চরমে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি এবং একজন কর্মকর্তার একাধিক দপ্তরের দায়িত্ব পালনের কারণে প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছেন হাজারো সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে একজন প্রশাসক দায়িত্বে থাকলেও তিনি একসাথে ২-৩টি ইউনিয়নের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। ফলে নাগরিক সেবা পেতে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েও চেয়ারম্যান, সদস্য বা সচিব কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। জরুরি কাজ নিয়ে পরিষদে আসা মানুষকে ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে।

একই চিত্র উপজেলা পর্যায়েও। ভূমি অফিস, এসিল্যান্ড অফিসসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরে গিয়ে কর্মকর্তাদের দেখা মিলছে না। একজন কর্মকর্তাকে ৩-৪টি অফিসের দায়িত্ব দেয়ায় সপ্তাহে একদিন গিয়েও তার দেখা পাওয়া দুষ্কর।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, “সেবা নিতে এসে আমরা আরো হয়রানির শিকার হচ্ছি। অফিসে তালা, চেয়ার খালি। কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর মানুষ দিনের পর দিন ঘুরেও জন্মনিবন্ধন, ভূমির কাগজ, ভাতার কার্ড কিছুই পাচ্ছে না।”

স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সেবা প্রদানকারীরাও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির কারণে কাজ করতে পারছেন না। এতে সারা বাংলাদেশে একই সমস্যা থাকলেও কমলনগর-রামগতির মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নাগরিক সমাজের দাবি, অবিলম্বে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা দপ্তরে পূর্ণকালীন কর্মকর্তা নিয়োগ এবং একজনকে একাধিক দায়িত্ব দেয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। তা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।