ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পোরশায় শূকরের সঙ্গে অটোভ্যানের সংঘর্ষ: গুরুতর আহত ৬ মাসের শিশু মুসফিকা, মায়ের আর্তনাদে ভারী হাসপাতালের বাতাস

 

নওগাঁর পোরশায় চলন্ত অটোভ্যানের সঙ্গে বন্যশূকরের পালের আকস্মিক সংঘর্ষে ৬ মাস বয়সী শিশু মুসফিকা জান্নাত গুরুতর আহত হয়েছে।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সারাইগাছি আদিবাসী খামারের সামনের ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, শিশুটির মা ফাতেমা তার দুই সন্তান—৯ বছর বয়সী মিমি আক্তার ও ৬ মাস বয়সী মুসফিকা জান্নাত এবং নিজের মা কুলসুম বেগমকে নিয়ে অটোভ্যানে করে সারাইগাছি বাজারে যাচ্ছিলেন।

পথে হঠাৎ বন্যশূকরের একটি পাল অটোভ্যানটির সামনে চলে এলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এতে শিশু মুসফিকা মাথায় গুরুতর আঘাত পায় এবং তার নানী কুলসুম বেগমও গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার পর তাদের দ্রুত পোরশা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মুসফিকার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

একই সঙ্গে শিশুটির নানীর অবস্থাও গুরুতর হওয়ায় তাঁকেও রাজশাহী পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের শয্যাপাশে বসে একমাত্র সন্তানের সুস্থতার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা ফাতেমা।

তিনি আহাজারি করে বলেন, “চোখের সামনে আমার মা ও দুই সন্তানকে আহত অবস্থায় দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। আমার কলিজার টুকরো মুসফিকার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে, আমি শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া চাই যেন সন্তানকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পাই।”

খুলনার বাঘেরহাট থেকে পোরশার সোহড়ন্দ গ্রামে বাপের বাড়িতে বেড়াতে আসা এই অসহায় মা এখন তার সন্তানের জীবন বাঁচাতে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পোরশায় শূকরের সঙ্গে অটোভ্যানের সংঘর্ষ: গুরুতর আহত ৬ মাসের শিশু মুসফিকা, মায়ের আর্তনাদে ভারী হাসপাতালের বাতাস

আপডেট সময় : ০৮:২১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

 

নওগাঁর পোরশায় চলন্ত অটোভ্যানের সঙ্গে বন্যশূকরের পালের আকস্মিক সংঘর্ষে ৬ মাস বয়সী শিশু মুসফিকা জান্নাত গুরুতর আহত হয়েছে।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সারাইগাছি আদিবাসী খামারের সামনের ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, শিশুটির মা ফাতেমা তার দুই সন্তান—৯ বছর বয়সী মিমি আক্তার ও ৬ মাস বয়সী মুসফিকা জান্নাত এবং নিজের মা কুলসুম বেগমকে নিয়ে অটোভ্যানে করে সারাইগাছি বাজারে যাচ্ছিলেন।

পথে হঠাৎ বন্যশূকরের একটি পাল অটোভ্যানটির সামনে চলে এলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এতে শিশু মুসফিকা মাথায় গুরুতর আঘাত পায় এবং তার নানী কুলসুম বেগমও গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার পর তাদের দ্রুত পোরশা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মুসফিকার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

একই সঙ্গে শিশুটির নানীর অবস্থাও গুরুতর হওয়ায় তাঁকেও রাজশাহী পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের শয্যাপাশে বসে একমাত্র সন্তানের সুস্থতার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা ফাতেমা।

তিনি আহাজারি করে বলেন, “চোখের সামনে আমার মা ও দুই সন্তানকে আহত অবস্থায় দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। আমার কলিজার টুকরো মুসফিকার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে, আমি শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া চাই যেন সন্তানকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পাই।”

খুলনার বাঘেরহাট থেকে পোরশার সোহড়ন্দ গ্রামে বাপের বাড়িতে বেড়াতে আসা এই অসহায় মা এখন তার সন্তানের জীবন বাঁচাতে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।