ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক লাঞ্ছিত: দশমিনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পরীক্ষার ফি আদায়ের অভিযোগ

 

​পটুয়াখালীর দশমিনায় সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে পরীক্ষার ফি আদায়ের একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। শুধু তাই নয়, এই অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক গণকণ্ঠের এক স্থানীয় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ক্যামেরা ছিনতাই এবং তথ্য মুছে ফেলার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
​ঘটনার সারসংক্ষেপ
​স্থান: ১২ নম্বর দশমিনা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালী।
​প্রধান অভিযোগ: সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়।
​ফি আদায়ের চিত্র: বিদ্যালয়টিতে মোট ৫৫৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের থেকে ২০ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণির ৩০ টাকা এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে।
​দায়সারা অজুহাত: অভিভাবকদের টাকা নেওয়ার কথা জানালেও প্রধান শিক্ষক দাবি করেছেন, এটি পরীক্ষার ফি নয়, বরং ২০১৯ সালের ‘স্কাউট ফি’।
​সরকারি বিধান: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের কাছ থেকে এক টাকাও নেওয়া যাবে না। প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র ফটোকপিসহ যাবতীয় খরচ বিদ্যালয়ের স্লিপ ফান্ডের বরাদ্দ থেকেই মেটাতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক লাঞ্ছিত: দশমিনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পরীক্ষার ফি আদায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:২৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

 

​পটুয়াখালীর দশমিনায় সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে পরীক্ষার ফি আদায়ের একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। শুধু তাই নয়, এই অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক গণকণ্ঠের এক স্থানীয় সাংবাদিকের ওপর হামলা, ক্যামেরা ছিনতাই এবং তথ্য মুছে ফেলার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
​ঘটনার সারসংক্ষেপ
​স্থান: ১২ নম্বর দশমিনা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালী।
​প্রধান অভিযোগ: সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়।
​ফি আদায়ের চিত্র: বিদ্যালয়টিতে মোট ৫৫৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের থেকে ২০ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণির ৩০ টাকা এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে।
​দায়সারা অজুহাত: অভিভাবকদের টাকা নেওয়ার কথা জানালেও প্রধান শিক্ষক দাবি করেছেন, এটি পরীক্ষার ফি নয়, বরং ২০১৯ সালের ‘স্কাউট ফি’।
​সরকারি বিধান: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের কাছ থেকে এক টাকাও নেওয়া যাবে না। প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র ফটোকপিসহ যাবতীয় খরচ বিদ্যালয়ের স্লিপ ফান্ডের বরাদ্দ থেকেই মেটাতে হবে।