ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পলাশে মাইক্রোবাস চালক নিখোঁজের তিনদিন পর মরদেহ উদ্ধার


‎      নরসিংদীর পলাশে মাইক্রোবাস চালক ইব্রাহিম খান (২৭) নিখোঁজের তিনদিন পর  মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎              ২৫ জুন ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার  দুপুরে পাঁচদোনা –ঘোড়াশাল সড়কের ভাগদী এলাকায় একটি কালভার্টের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইব্রাহিম খান পাঁচদোনার নেহাব গ্রামের শহিদ খানের ছেলে।

‎                  পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, গত তিনদিন আগে রাতে একটি ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ইব্রাহিম। পরে তার কোন খোঁজখবর না পেয়ে পরিবারের স্বজনরা পলাশ থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন। আজ দুপুরে স্বজনরা ঘোড়াশালের ভাগদী সড়ক দিয়ে যাওয়ার পথে পঁচা   দুর্গন্ধ  পেয়ে সন্দেহবশত আশেপাশে খোঁজাখুজি করে। পরে একপর্যায়ে সড়কের পাশের একটি কালভার্টের নিচে ইব্রাহিমের মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

‎                                         ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, ধারণা করা হচ্ছে ঘাতকরা হত্যার পর মরদেহটি গুম করার উদ্দ্যোশে  কালভার্টের নিচে ফেলে যায়। হত্যার রহস্য উদঘাটন সহ জড়িতদের গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পলাশে মাইক্রোবাস চালক নিখোঁজের তিনদিন পর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১২:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


‎      নরসিংদীর পলাশে মাইক্রোবাস চালক ইব্রাহিম খান (২৭) নিখোঁজের তিনদিন পর  মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎              ২৫ জুন ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার  দুপুরে পাঁচদোনা –ঘোড়াশাল সড়কের ভাগদী এলাকায় একটি কালভার্টের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইব্রাহিম খান পাঁচদোনার নেহাব গ্রামের শহিদ খানের ছেলে।

‎                  পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, গত তিনদিন আগে রাতে একটি ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ইব্রাহিম। পরে তার কোন খোঁজখবর না পেয়ে পরিবারের স্বজনরা পলাশ থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন। আজ দুপুরে স্বজনরা ঘোড়াশালের ভাগদী সড়ক দিয়ে যাওয়ার পথে পঁচা   দুর্গন্ধ  পেয়ে সন্দেহবশত আশেপাশে খোঁজাখুজি করে। পরে একপর্যায়ে সড়কের পাশের একটি কালভার্টের নিচে ইব্রাহিমের মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

‎                                         ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, ধারণা করা হচ্ছে ঘাতকরা হত্যার পর মরদেহটি গুম করার উদ্দ্যোশে  কালভার্টের নিচে ফেলে যায়। হত্যার রহস্য উদঘাটন সহ জড়িতদের গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ