ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পত্নীতলায় আউশ ধান কাটা শুরু, দাম নিয়ে উদ্বেগ

 

 

পত্নীতলায় উপজেলা জুড়ে এখন ভরা মৌসুমের আমেজ। বর্ষার মেঘ, মাঝেমধ্যে হালকা বৃষ্টি, আর সবুজ সোনালী ধানের মাঠে চলছে আউশ ধান কাটার ব্যস্ততা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাঠে কৃষকের দিন কাটছে ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে।তবে ভালো ফলন পেলেও বাজারে ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

কৃষকের ভাষ্যমতে, চলতি মৌসুমী প্রতি বিঘায় আউশ বিশেষ করে (পারিজা) জাতের ধানের উৎপাদন হয়েছে গড়ে নিম্নে ১২ থেকে ১৬-১৭ মণ পর্যন্ত। অনুকূলে থাকায় মোটামুটি সন্তোষজনক হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবং বাজারে ধানের কম দামের কারণে লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না তারা।

উপজেলা পাঁচ নম্বর মাটিন্দর ইউনিয়নের গিদিশা গ্রামের কৃষক মোঃ শামসুল মন্ডল বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ধান উৎপাদন করতে বিষ,সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিক ও পরিবহন খরচ মিলিয়ে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ বাজারে ধানের দাম মাত্র ৮০০ থেকে১০০০ টাকা মণ।খরচ উঠলেও লাভ থাকছে না।

আরে কৃষক বাবুল হোসেন জানান, দিন দিন কৃষি উপকরণের দাম বাড়ছে। আমরা কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করছি, কিন্তু ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে আউশ ধানের ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগ কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করছে এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছে। পত্নীতলা উপজেলা অঞ্চলে আউশ ধানের চাষ ও ফলন বরাবরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আউশ ধানের ফলন মোটামুটি আশা ব্যঞ্জন হয়েছে। তবে বাজারে মূল্য নিয়ে কৃষকদের উদ্বেগ রয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পত্নীতলায় আউশ ধান কাটা শুরু, দাম নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

 

 

পত্নীতলায় উপজেলা জুড়ে এখন ভরা মৌসুমের আমেজ। বর্ষার মেঘ, মাঝেমধ্যে হালকা বৃষ্টি, আর সবুজ সোনালী ধানের মাঠে চলছে আউশ ধান কাটার ব্যস্ততা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাঠে কৃষকের দিন কাটছে ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে।তবে ভালো ফলন পেলেও বাজারে ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

কৃষকের ভাষ্যমতে, চলতি মৌসুমী প্রতি বিঘায় আউশ বিশেষ করে (পারিজা) জাতের ধানের উৎপাদন হয়েছে গড়ে নিম্নে ১২ থেকে ১৬-১৭ মণ পর্যন্ত। অনুকূলে থাকায় মোটামুটি সন্তোষজনক হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবং বাজারে ধানের কম দামের কারণে লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না তারা।

উপজেলা পাঁচ নম্বর মাটিন্দর ইউনিয়নের গিদিশা গ্রামের কৃষক মোঃ শামসুল মন্ডল বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ধান উৎপাদন করতে বিষ,সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিক ও পরিবহন খরচ মিলিয়ে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ বাজারে ধানের দাম মাত্র ৮০০ থেকে১০০০ টাকা মণ।খরচ উঠলেও লাভ থাকছে না।

আরে কৃষক বাবুল হোসেন জানান, দিন দিন কৃষি উপকরণের দাম বাড়ছে। আমরা কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করছি, কিন্তু ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে আউশ ধানের ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগ কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করছে এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছে। পত্নীতলা উপজেলা অঞ্চলে আউশ ধানের চাষ ও ফলন বরাবরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আউশ ধানের ফলন মোটামুটি আশা ব্যঞ্জন হয়েছে। তবে বাজারে মূল্য নিয়ে কৃষকদের উদ্বেগ রয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।