র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাব সৃষ্টিকাল থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনী, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারসহ ডাকাত, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী, প্রতারক ও হত্যাকান্ডের অপরাধে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও সাম্প্রতিককালে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে র্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ০৩/০৬/২০২৬ তারিখ বুধবার রাত অনুমান ২০.৩০ ঘটিকায় নোয়াখালীর সেনবাগ থানাধীন দেবীসিংহপুর আমজু মিয়ার বাড়ীর মসজিদের সামনে রাস্তা সংলগ্ন কবরস্থানের পাশে মাদক বিক্রয় এবং সেবনে বাধা প্রদানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু দুর্বৃত্তরা তাদের হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে ভিকটিম আরাফাত হোসেন ফাহিম কে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। আসামীদের এলোপাতাড়ি চাপাতির আঘাতে ভিকটিমের হাটুর উপরে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয় এর সকল শিরা কেটে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভিকটিমকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ইং-১০/০৬/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২২.৩০ ঘটিকায় কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করেন। উক্ত বিষয়ে নিহতের মা বাদী হয়ে নোয়াখালীর সেনবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি রুজু হওয়ার পর হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
পরবর্তীতে র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং র্যাব-১, সিপিসি-২, উত্তরা, ঢাকা এর যৌথ চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ২৪/০৮/২০২৬খ্রিঃ তারিখ দুপুর ১৪.১০ ঘটিকার সময় জিএমপি গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন বাসস্ট্যান্ড হতে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার ঘটনার সাথে জড়িত এজাহারনামীয় ০২নং মোঃ মান্না (৩৫), পিতা-কালাম মিয়া প্রঃ মোঃ ইউছুপ, মাতা-ফয়েজের নেছা, সাং-দেবীসিংহপুর, থানা-সেনবাগ, জেলা-নোয়াখালীকে করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নোয়াখালীর সেনবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
হারুন রশিদ শেখ স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক বাংলার সংবাদ 



















