ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে সরকারি নির্দেশে খাল দখলমুক্ত করা হলো

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার ৩নং তেতুলিয়া ইউনিয়নের তেতুলিয়া খাল দখল মুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, গত শুকনো মৌসুমে ওই খাল মাটি কেটে ভরাট করে দখল করা হয়েছিল। খালের উপর থাকা ব্রীজের সমান উচ্চতায় মাটি ভরাট করে দখল করেছিল সরকারি এই খালটি। বিষয়টি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম.এ কাদেরের নজরে আসলে তিনি সেই মাটি অপসারণ করে খাল দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন।
সরকারি নির্দেশের প্রায় দুই মাস পর মাটি অপসারণের কাজ শুরু করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, তেতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন মিয়ার স্ত্রী দিলরুবা ওই মাটি ভরাট করে খাল দখল করেছিলেন। পরিদর্শনকালে দিলরুবা জানান, “এটা সরকারি জায়গা, আমি সেটা বুঝি নাই। স্থানীয় ভূমি অফিসও মাটি ভরাট কাজের সময় আমাকে নিষেধ করে নাই। আমাদের জায়গা জমি নাই। তাই এখানে মাটি কেটে ভরাট করি। দিলরুবা বলেন, এটা খাল নয়, এটা কান্দা।”

মোহনগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম.এ কাদেরের নজরে এলে তিনি দু’মাস আগে ভরাটকৃত মাটি অপসারণের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের প্রেক্ষিতে দিলরুবা এখন ভরাটকৃত মাটি অপসারণ করছেন। ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এটা খাস জমি

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে সরকারি নির্দেশে খাল দখলমুক্ত করা হলো

আপডেট সময় : ১১:১৮:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার ৩নং তেতুলিয়া ইউনিয়নের তেতুলিয়া খাল দখল মুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, গত শুকনো মৌসুমে ওই খাল মাটি কেটে ভরাট করে দখল করা হয়েছিল। খালের উপর থাকা ব্রীজের সমান উচ্চতায় মাটি ভরাট করে দখল করেছিল সরকারি এই খালটি। বিষয়টি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম.এ কাদেরের নজরে আসলে তিনি সেই মাটি অপসারণ করে খাল দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন।
সরকারি নির্দেশের প্রায় দুই মাস পর মাটি অপসারণের কাজ শুরু করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, তেতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন মিয়ার স্ত্রী দিলরুবা ওই মাটি ভরাট করে খাল দখল করেছিলেন। পরিদর্শনকালে দিলরুবা জানান, “এটা সরকারি জায়গা, আমি সেটা বুঝি নাই। স্থানীয় ভূমি অফিসও মাটি ভরাট কাজের সময় আমাকে নিষেধ করে নাই। আমাদের জায়গা জমি নাই। তাই এখানে মাটি কেটে ভরাট করি। দিলরুবা বলেন, এটা খাল নয়, এটা কান্দা।”

মোহনগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম.এ কাদেরের নজরে এলে তিনি দু’মাস আগে ভরাটকৃত মাটি অপসারণের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের প্রেক্ষিতে দিলরুবা এখন ভরাটকৃত মাটি অপসারণ করছেন। ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এটা খাস জমি