ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারী ডোমারে গাড়লের খামার, সম্ভাবনা দেখছেন তরুণ উদ্যোক্তা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবে ভিডিও দেখে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে গাড়ল পালন শুরু করেছেন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা আনিসুজ্জামান মিলন। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন তিনি।

ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সোনারায় গ্রামে প্রায় তিন বিঘা জমির ওপর ২০২৫ সালে গাড়লের খামারটি গড়ে তোলেন মিলন। ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত থাকলেও নিজ এলাকায় অনাবাদি জমি কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, খামারে গাড়লের পাশাপাশি দেশি ছাগল, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের মুরগি ও নানা প্রজাতির ফলের গাছ রয়েছে। খামার পরিচালনাকারী জানান, মালিক ঢাকায় থাকলেও স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যেই খামারটি পরিচালনা করছেন।

খামার সংশ্লিষ্টরা জানান, গাড়ল তুলনামূলকভাবে আবহাওয়া সহনশীল প্রাণী। দেশীয় ঘাসসহ প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে এটি পালন করা সম্ভব। ফলে বাংলাদেশে গাড়ল পালনের সম্ভাবনা রয়েছে। একসময় আমেরিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে গাড়লের বিস্তৃতি থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশেও এ প্রাণী পালন শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাণিজ্যিকভাবে গাড়ল পালন সম্প্রসারিত হলে একদিকে দেশের মাংসের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে, অন্যদিকে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

উদ্যোক্তা আনিসুজ্জামান মিলন বলেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে খামারের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এ খামারের মাধ্যমে আরও মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি গাড়ল পালনকে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে চান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নীলফামারী ডোমারে গাড়লের খামার, সম্ভাবনা দেখছেন তরুণ উদ্যোক্তা

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবে ভিডিও দেখে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে গাড়ল পালন শুরু করেছেন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা আনিসুজ্জামান মিলন। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন তিনি।

ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সোনারায় গ্রামে প্রায় তিন বিঘা জমির ওপর ২০২৫ সালে গাড়লের খামারটি গড়ে তোলেন মিলন। ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত থাকলেও নিজ এলাকায় অনাবাদি জমি কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, খামারে গাড়লের পাশাপাশি দেশি ছাগল, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের মুরগি ও নানা প্রজাতির ফলের গাছ রয়েছে। খামার পরিচালনাকারী জানান, মালিক ঢাকায় থাকলেও স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যেই খামারটি পরিচালনা করছেন।

খামার সংশ্লিষ্টরা জানান, গাড়ল তুলনামূলকভাবে আবহাওয়া সহনশীল প্রাণী। দেশীয় ঘাসসহ প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে এটি পালন করা সম্ভব। ফলে বাংলাদেশে গাড়ল পালনের সম্ভাবনা রয়েছে। একসময় আমেরিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে গাড়লের বিস্তৃতি থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশেও এ প্রাণী পালন শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাণিজ্যিকভাবে গাড়ল পালন সম্প্রসারিত হলে একদিকে দেশের মাংসের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে, অন্যদিকে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

উদ্যোক্তা আনিসুজ্জামান মিলন বলেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে খামারের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এ খামারের মাধ্যমে আরও মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি গাড়ল পালনকে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে চান তিনি।